প্রধান খবরবাংলাদেশরাজনীতি

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন লতিফ সিদ্দিকী

রূপসী বাংলা ঢাকা ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এম নূরুল হুদার সঙ্গে দেখা করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন টাঙ্গাইল-৪ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা লতিফ সিদ্দিকী। আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে সিইসির কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রোববার বেলা ১২টা দিকে সাংবাদিকদের কাছে এ ঘোষণা দেন তিনি। 
 
লতিফ সিদ্দিকী বলেন, আমি আর নির্বাচন করছি না। কারণ মাঠ নির্বাচন করার মত সমতল নয়। মাঠ এমনই সমতল যে পুলিশের বুটের তলে পড়তে হয়। আর সন্ত্রাসীদের লাঠির আঘাত খেতে হয়। আমার অফিস ভেঙে দিয়েছে। আমার নিরীহ লোকদেরকে প্রতিনিয়ত গ্রেফতার করছে। যারা সমর্থক তাদেরকে পুলিশ প্রতিনিয়ত টেলিফোন করে ভয় দেখাচ্ছে। এরপরে ইলেকশন করা যায় নাকি? 
 
তিনি আরও বলেন, ইলেকশনটা তো বাণিজ্য নয়। আমি জীবনে অনেক ইলেকশন করেছি। ১৯৭০ সাল থেকে শুরু করেছি আজকে ২০১৮ সাল এই রকম নির্বাচন আমার এলাকায় আমি জীবনেও দেখি নি। আমি আর শাহাজাহান সিরাজ ছিলাম দুই প্রতিপক্ষ। কিন্তু আমাদের মধ্যে এই ধরনের কোনও ঘটনা ঘটে নাই। 
 
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চিফ ইলেকশন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছি। কিছুই চাই নি। আমি কিছু চাওয়ার লোক না। আমি বলে আসলাম,  আপনি যে পরিচালনাটা করছেন- এই পরিচালনায় আপনি ব্যর্থ। এই পরিচালনায় নির্বাচন হতে পারে না। তাই আমি মাঠ ছেড়ে দাঁড়ালাম। 
 
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন তো আর প্রত্যাহারের সুযোগ নেই। তাই আমি সরে দাঁড়ালাম। আমি নিরীহ মানুষকে আহত-নিহত হওয়ার সুযোগ কেন করে দেব? যারা আহত-নিহত হবে- তাদের দায় আমাকে নিতে হবে। আমি সেই দায় নেব না। আমি এত বড় বীরপুরুষ হতে চাই না। এটা স্বাধীনতা যুদ্ধ না যে, মুখোমুখি লড়াই করব। যার সঙ্গে লড়াই করবো সে আমারই কর্মী কিংবা কর্মীর সন্তান। আমি কেন যাব এই ধরনের হানাহানিতে? যদি নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করতে না পারে? 
 
তিনি বলেন, আমি তাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এম নূরুল হুদার সঙ্গে দেখা করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন টাঙ্গাইল-৪ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা লতিফ সিদ্দিকী। আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে সিইসির কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রোববার বেলা ১২টা দিকে সাংবাদিকদের কাছে এ ঘোষণা দেন তিনি। 
 
লতিফ সিদ্দিকী বলেন, আমি আর নির্বাচন করছি না। কারণ মাঠ নির্বাচন করার মত সমতল নয়। মাঠ এমনই সমতল যে পুলিশের বুটের তলে পড়তে হয়। আর সন্ত্রাসীদের লাঠির আঘাত খেতে হয়। আমার অফিস ভেঙে দিয়েছে। আমার নিরীহ লোকদেরকে প্রতিনিয়ত গ্রেফতার করছে। যারা সমর্থক তাদেরকে পুলিশ প্রতিনিয়ত টেলিফোন করে ভয় দেখাচ্ছে। এরপরে ইলেকশন করা যায় নাকি? 
 
তিনি আরও বলেন, ইলেকশনটা তো বাণিজ্য নয়। আমি জীবনে অনেক ইলেকশন করেছি। ১৯৭০ সাল থেকে শুরু করেছি আজকে ২০১৮ সাল এই রকম নির্বাচন আমার এলাকায় আমি জীবনেও দেখি নি। আমি আর শাহাজাহান সিরাজ ছিলাম দুই প্রতিপক্ষ। কিন্তু আমাদের মধ্যে এই ধরনের কোনও ঘটনা ঘটে নাই। 
 
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চিফ ইলেকশন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছি। কিছুই চাই নি। আমি কিছু চাওয়ার লোক না। আমি বলে আসলাম,  আপনি যে পরিচালনাটা করছেন- এই পরিচালনায় আপনি ব্যর্থ। এই পরিচালনায় নির্বাচন হতে পারে না। তাই আমি মাঠ ছেড়ে দাঁড়ালাম। 
 
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন তো আর প্রত্যাহারের সুযোগ নেই। তাই আমি সরে দাঁড়ালাম। আমি নিরীহ মানুষকে আহত-নিহত হওয়ার সুযোগ কেন করে দেব?যারা আহত-নিহত হবে- তাদের দায় আমাকে নিতে হবে। আমি সেই দায় নেব না। আমি এত বড় বীরপুরুষ হতে চাই না। এটা স্বাধীনতা যুদ্ধ না যে, মুখোমুখি লড়াই করব। যার সঙ্গে লড়াই করবো সে আমারই কর্মী কিংবা কর্মীর সন্তান। আমি কেন যাব এই ধরনের হানাহানিতে? যদি নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করতে না পারে? 
 
তিনি বলেন, আমি তাকে সিইসি বলে দিয়ে আসলাম আপনি স্বীকার করুন আর না করুন আপনি ব্যর্থ। 
 
কমিশনের পক্ষ থেকে কী বলা হল জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিছুই বলা হয় নি। আমি তো তার কাছে শুনতে চাই নাই। আমি বলেছি এক মিনিট আপনার সঙ্গে দেখা করে চিঠি দিয়ে চলে যাব। 
 
লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ওসির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে।  
 
এখন কি ওসির প্রত্যাহার চান- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন আর কিছুই চাই না। এখন আর সময় আছে না কি?  আমি নিজেকেই মাঠ থেকে সরিয়ে নিয়েছি। কার কাছে কী চাইব? এদেশে চাইলেই কিছু হয় না। ঘটনাক্রমে ঘটে। বলে দিয়ে আসলাম আপনি স্বীকার করুন আর না করুন আপনি ব্যর্থ। 
 
কমিশনের পক্ষ থেকে কী বলা হল জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিছুই বলা হয় নি। আমি তো তার কাছে শুনতে চাই নাই। আমি বলেছি এক মিনিট আপনার সঙ্গে দেখা করে চিঠি দিয়ে চলে যাব। 
 
লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ওসির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে।  
 
এখন কি ওসির প্রত্যাহার চান- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন আর কিছুই চাই না। এখন আর সময় আছে না কি?  আমি নিজেকেই মাঠ থেকে সরিয়ে নিয়েছি। কার কাছে কী চাইব? এদেশে চাইলেই কিছু হয় না। ঘটনাক্রমে ঘটে। 
Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension