
ইমন হোসেন
পাকস্থলীতে ক্ষুধা,হৃদয়ে অনন্ত তৃষ্ণা—
আর মস্তিষ্কে শৈলসম উদ্বিগ্নতা নিয়ে,
আমি আর কতটুকু ছুটে যাবো শুভ্রতার পানে;
আমাকে ডেকো না বসন্ত,আমাকে ডেকো না ফুল,
দুর্বার পরাজয়ে আমি আজ সমর্পিত মেঘেদের থাবায়।
মাকড়সার মতো আমার চতুর্দিকে বিস্তৃত,
দীর্ঘশ্বাসের সুদীর্ঘ মায়াজাল!
ভ্রান্তির জোয়ারে ভেসে আমি আজ নির্বাসিত,
গ্লানিময় শূন্যতার আলোহীন দ্বীপে!
সেদিনও তো কথা ছিল পাখি হবো,
জীবনের অন্তরীক্ষে উড়ে যাব হর্ষিত স্বপ্নের ডানায়;
আমার এবং আমাদের সবকটি অন্ধকার,
দু’হাতে উড়িয়ে দেবো এক গুচ্ছ পুষ্পের মতো;
অথচ আজ কল্লোলময় জ্যোৎস্নার শরীর ছুঁয়ে,
হলুদ পাতার মতো ঝরে পড়ে বিবর্ণ নীরবতা!
হৃদয়ের সরোবরে,
বর্ণিল জলরাশির মতো ঢেউ তোলে অন্ধকার;
দেয়ালের পর দেয়াল,শিকলের পর শিকল ডিঙিয়ে,
আমি আজও ছুঁতে পারিনি প্রভাতের নির্মল রোদ্দুর;
আমাকে ডেকো না আলো,আমাকে ডেকো না আর,
নির্মোহ ছুঁয়ে থাক এই বিষাক্ত আঁধার!



