
সামরিক আধিপত্য বজায় রাখতে ‘জনসংখ্যা বৃদ্ধি’ অত্যাবশ্যক: যুক্তরাষ্ট্র
সামরিক আধিপত্য বজায় রাখার জন্য ‘জনসংখ্যা বৃদ্ধি’ অত্যাবশ্যক বলে মনে করেন মার্কিন মহাকাশ বাহিনীর প্রধান বিজ্ঞানী ড. জোয়েল মোজার।
এয়ারফোর্স গবেষণা পরীক্ষাগারের একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, গত শতাব্দীতে পশ্চিমা সভ্যতা একটি শিল্পভিত্তিক সমাজ থেকে তথ্যভিত্তিক সমাজে রূপান্তরিত হয়েছে। তবে আজ আমরা একটি নতুন যুগের দ্বারপ্রান্তে। সেটি হলো মানব বৃদ্ধির যুগ।
তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে, আমরা এই নতুন যুগকে গ্রহণ করা জরুরি, তা না হলে আমরা আমাদের কৌশলগত অন্যান্য প্রতিযোগীর পেছনে পড়তে হবে।
জোয়েল মোজার বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আগামী দশকে ‘অকল্পনীয়’ অগ্রগতি হবে; যা সামরিক বাহিনীর কৌশলগত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে। এছাড়া কমান্ডার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের নিয়ন্ত্রণে একাধিক স্বায়ত্তশাসিত এজেন্ট থাকবে; যারা পুনরুদ্ধার, আগুন নিয়ন্ত্রণ বা আক্রমণ প্রতিরোধ করতে সক্ষম হবে।
যুক্তরাজ্যসহ যুক্তরাষ্ট্র ধারণা করছে, ভবিষ্যতে যুদ্ধ বেঁধে গেলে প্রযুক্তি ও মানুষের সংমিশ্রণে একটি হাইব্রিট লড়াই হবে।
২০১৮ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, যুদ্ধ মোকাবিলায় মানুষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। আর রোবোটিক কিংবা স্বায়ত্তশাসিত পদ্ধতিগুলো সংঘাত মোকাবেলায় কাজে লাগানো হবে। তবে আগামী যুদ্ধের প্রকৃতি বদলে যেতে পারে। কারণ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফেলে যুদ্ধে আবেগ, মনোবল ও সুযোগের ওপর কম জোর দেয়া হবে।
এরইমধ্যে মানুষ ও প্রযুক্তির মধ্যে সামরিক বাহিনীর একটি যোগসূত্র তৈরি হয়েছে। বর্তমান সময়ে স্মার্ট বোম ও ড্রোন হামলা তারই প্রমাণ।
ইনডিপেন্ডেন্ট



