
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির আবেদন
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাময়িক মুক্তির মেয়াদ বাড়াতে তার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দারের করা আবেদনপত্রে মতামত দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। তবে আবেদনপত্রটি নিয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। বিএনপি চেয়ারপারসনের উন্নত চিকিৎসার জন্য মুক্তির বর্ধিত মেয়াদ চেয়ে গত সপ্তাহে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর এ আবেদন করা হয়।
আইনমন্ত্রীর দপ্তর থেকে গতকালই এ-সংক্রান্ত ফাইল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাবটি আমার কাছে পাঠানো হয়েছিল। আমি তাতে মতামত দিয়ে ফেরত পাঠিয়েছি।
জানা গেছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বর্তমানে জার্মানিতে অবস্থান করছেন। ১০ সেপ্টেম্বর তার দেশে ফেরার কথা। তিনি দেশে ফেরার পর আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয় খালেদা জিয়ার। এ মামলায় বন্দি থাকাকালেই তার বিরুদ্ধে হয় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলা। এ মামলায় তাকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আগের মামলায় হাইকোর্টে আপিল করার পর সাজা বেড়ে দ্বিগুণ হয়।
এরপর নির্বাহী এক আদেশে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর খালেদা জিয়া রাজনীতি থেকে নিজেকে অনেকটাই গুটিয়ে ফেলেন। এ সময় দলীয় কোনো কর্মসূচিতেও তাকে যোগ দিতে দেখা যায়নি।
দেশে করোনা মহামারী শুরুর দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন নিয়ে যাওয়ার পর বিশেষ বিবেচনায় শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পান বিএনপি চেয়ারপারসন।
গত বছরের ২৫ মার্চ প্রথমে ছয় মাসের জন্য সাময়িক মুক্তি দেয়া হয় তাকে। পরে দফায় দফায় এ মেয়াদ আরো বাড়ানো হয়। চলমান দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২৪ সেপ্টেম্বর। এর আগেই খালেদা জিয়ার পরিবার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেছে।



