
হাসিনার কারণেই বাংলাদেশে বেড়েছে ইসলামী সন্ত্রাস: তসলিমা
রূপসী বাংলা নিউজ ডেস্ক: ফের সন্ত্রাস নিয়ে সরব হলেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। আরও স্পষ্ট করে বললে লেখিকা তসলিমা সরব হয়েছেন ইসলামী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।
পুরণো চেনা পথেই সন্ত্রাস নিয়ে কাঠগড়ায় তুলেছেন ইসলাম ধর্মকে। তবে এবারের ক্ষেত্রে যুক্ত হয়েছে একটি নতুন বিষয়। বাংলাদেশে সন্ত্রাস বা ইসলামিক সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার জন্য কাঠগড়ায় তুলেছেন ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে।
ইসলামের সঙ্গে লেখিকা তসলিমা নাসরিনের বিরোধ নতুন কিছু নয়। দীর্ঘ দিন ধরেই ইসলাম ধর্ম এবং ওই ধর্মের মৌলবাদিদের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন লজ্জার লেখিকা। মূলত সেই কারণের জন্যেই নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশ ত্যাগ করতে হয়েছিল তাঁকে। ঠাঁই মেলেনি বাঙালির প্রাণের শহর কলকাতাতেও। গঙ্গা পারের শহরও তাঁকে ত্যাগ করতে হয়েছিল ইসলামের বিরুদ্ধে সরব হওয়ার কারণেই।
নিত্যদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় সন্ত্রাস বা ধর্মীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরব হয়ে থাকেন তসলিমা নাসরিন। তালিকায় অবশ্যই শীর্ষে থাকে ইসলাম। সেই পথেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আক্রমণ করে তিনি লিখেছেন, “হাসিনা মাদ্রসা এবং মসজিদ নির্মাণ করে মানুষকে ইসলামিক জীবন যাপনে উদ্বুদ্ধ করলেন। যার ফলে সাধারন মানুষ ধর্ম প্রাণ মুসলিম হল, কিছু মানুষ সন্ত্রাসী হল। প্রগতিশীল মানুষদের তাঁরা হত্যা করল।”
এরপরে তিনি আরও লিখেছেন, “যখন অনেক মানুষ এই সকল সন্ত্রাসবাদিদের হাতে প্রাণ হারালেন তখন সমগ্র বিশ্ব হাসিনার সমালোচনা শুরু করল। এরপরে হাসিনা পুলিশ দিয়ে সন্ত্রাসবাদীদের হত্যা করলেন। এবং জানালেন যে এনকাউন্টারে সন্ত্রাসবাদীদের মৃত্যু হয়েছে।”
রবিবার দুপুরের দিকে নিজের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে এই বক্তব্য পোস্ট করেছেন লেখিকা তসলিমা। বাংলাদেশ থেকে নিষিদ্ধ হয়ে ভারতের নাগরিকত্ব পাননি তসলিমা নাসরিন। সুইডেনের নাগরিকত্ব নিয়ে ভারতের জাতীয় রাজধানি দিল্লিতে বাস করেন তিনি। নিয়মিত লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন। আর একই সঙ্গে চলছে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই। অবশ্যই তা লেখনীর মাধ্যমে।
সূত্র:কলকাতা24*7



