
মনোনয়ন বাতিল হল যে সব প্রার্থীর
রূপসী বাংলা ঢাকা ডেস্ক রিপোর্ট: দুর্নীতির দায়ে দন্ডপাপ্ত, ঋণ খেলাপি, হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকাসহ বিভিন্ন কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীর।
তারা হলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ চেয়ারম্যান বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, বিএনপি নেতা সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক, বিএনএফ এর প্রতিষ্ঠাতা সাবেক মন্ত্রী ব্যরিস্টার নাজমুল হুদা, বিএনপি নেতা সাবেক মন্ত্রী এম মোরশেদ খান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মীর নাসির উদ্দিন, গ্রেনেড হামলায় নিহত অর্থমন্ত্রী শাহ্ এমএস কিবরিয়ার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়া, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, মানবতা বিরোধী অপরাধে ফাঁসি কার্যকর হওয়া সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর ভাই গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, বর্তমান সংসদ সদস্য ও আইনজীবী আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস, গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক ইমরান এইচ সরকার, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও সদ্য বিএনপিতে যোগদানকারী গোলাম মওলা রনি, ফেসবুকে নিজ ভিডিওচিত্র দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জনকারী হিরো আলম, ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন।
খালেদা জিয়া: ফেনী-১, বগুড়া- ৬ ও ৭ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ফেনী জেলা রিটার্নিং অফিসার মো. অহিদুজ্জামান গতকাল ২ ডিসেম্বর রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মনোনয়ন যাচাই বাছাইয়ের সময় আদালতের আদেশে দন্ডিত হয়ে কারাগারে সাজা খাটতে থাকায় খালেদা জিয়ার মনোনয়ন বাতিলের আদেশ দেন। তার বিকল্প হিসেবে দলীয় মনোনীত ছাগলনাইয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুর আহম্মদ মজুমদারের মনোনয়নও বাতিল করা হয়েছে।
দ্বিতীয় বিকল্প ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম টিকে গেছেন। ধারণা করা হচ্ছে- তিনিই খালেদা জিয়ার ফেনী-১ আসন থেকে নির্বাচন করবেন।
সম্প্রতি দন্ডিত ব্যক্তিরা নির্বাচন করতে পারবেন না আপিল বিভাগ এমন আদেশ দিলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ আরও কিছু নেতা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারছেন না, এটা আগে থেকে অনুমিত ছিল।
বিএনপিও খালেদা জিয়ার মনোনয়ন বাতিল হতে পারে এই শঙ্কা থেকে এ আসনে আরও দুজন বিকল্প প্রার্থী দিয়ে রেখেছিল। পরশুরাম উপজেলা, ছাগলনাইয়া উপজেলা এবং ফুলগাজী উপজেলা নিয়ে গঠিত ফেনী-১ আসন।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দন্ডিত হয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে সাজাভোগ করছেন খালেদা জিয়া। নিম্ন আদালত এ মামলায় তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিলেও দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনে উচ্চ আদালত তার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেছে। এছাড়াও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাতেও তার সাত বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।
রুহুল আমিন হাওলাদার: পটুয়াখালী-১ (সদর-দুমকী-মির্জাগঞ্জ) মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার পটুয়াখালী-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা: বিএনপির সাবেক মন্ত্রী ব্যরিস্টার নাজমুল হুদার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং অফিসার। বিএনএফের এই প্রতিষ্ঠাতা ঢাকা ১৭ আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন।
এম মোর্শেদ খান: সাবেক পরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী এম মোরশেদ খানের মনোননয়ন পত্র বাতিল করা হয়েছে।
গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী: মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসি কার্যকর হওয়া বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ভাই ও ভাতিজার মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) ও চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসন থেকে সাকা চৌধুরীর ভাই গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও তার ছেলে সামির কাদের চৌধুরী চট্টগ্রাম ৬ (রাউজান) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। ঋণ খেলাপির অভিযোগে তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।
মীর নাছির: বিএনপি নেতা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. নাছির উদ্দিন ও তার ছেলে মীর মো. হেলাল উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা চট্টগ্রাম-৫ আসন থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। মামলা রয়েছে উল্লেখ করে ওই দুজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান।
ড. রেজা কিবরিয়া: সিটি ব্যাংক থেকে ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে হবিগঞ্জ-১ আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ও প্রয়াত অর্থমন্ত্রী শাহ এএম এস কিবরিয়ার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবির মুরাদ এ ঘোষণা দেন।
২০০১ সালের নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া। ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে গ্রেনেড হামলায় তিনিসহ ৫ জন নিহত হন। সম্প্রতি তার ছেলে ড. রেজা কিবরিয়া ড. কামাল হোসেনের দল গণফোরাম তথা ঐক্যফ্রন্ট থেকে নির্বাচন করার জন্য হবিগঞ্জ-১ আসনের দলীয় মনোনয়ন এবং পরে সরকারি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দেন।
কাদের সিদ্দিকী: ঋণ খেলাপী হওয়ায় বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি টাঙ্গাইল-৮ আসনের (বাসাইল-সখিপুর) প্রার্থী ছিলেন। গতকাল রোববার সকালে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম তার মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘোষণা করেন।
আমান উল্লাহ আমান: ঢাকা ২ আসনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান আদালতের রায়ে ১০ বছরের কারাদন্ডের আদেশ থাকায় তার মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এ আসন থেকে আমানের ছেলে ইরফান ইবনে আমান অমিতের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার সকালে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ তথ্য জানা গেছে।
আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী: হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় মাশুল দিতে হল হবিগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য ও আইনজীবী আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীকে। গতকাল ২ ডিসেম্বর রোববার তার মনোনয়ন বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার। ২০১২ সালের নির্বাচনে কেয়া হবিগঞ্জ-সিলেট থেকে নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হন।
আফরোজা আব্বাস: ঢাকা-৯ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের মনোনয়ন বাতিল করেছে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কার্যালয়। ঋণখেলাপির অভিযোগে প্রথমে তার মনোনয়ন স্থগিত ও পরে প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক ও বাংলাদেশ টেলিকমের কাছ থেকে আফরোজা আব্বাসের ঋণখেলাপি থাকার কথা জানা গেছে।
ইমরান এইচ সরকার: রাজাকার আব্দুল কাদের মোল্লার রায়কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট গণজাগরণ মঞ্চের মাধ্যমে নেতৃত্বে উঠে আসা ডা. ইমরান এইচ সরকারের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার সকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। কুড়িগ্রাম-৪ আসন (রাজিবপুর,রৌমারী ও চিলমারী উপজেলা) থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের অংশ নিতে ইচ্ছুক ছিলেন ইমরান এইচ সরকার।
সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান জানান, নির্বাচনে প্রার্থী হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী আসনের মোট ভোটারের ন্যূনতম ১% ভোটারের সমর্থন থাকতে হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপ্রত্যাশী ইমরান এইচ সরকারের এ সম্পর্কিত তথ্যে ঘাটতি রয়েছে। তাই জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল বলে ঘোষণা করেছেন।
এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানতে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকারকে ফোন করলে তিনি বলেন, এটা একটা অমূলক অজুহাত। আসলে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে জটিল করতেই আমিসহ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তালিকায় দেওয়া আমাদের সমর্থক ভোটারদের সংখ্যায় কোনও ঘাটতি নেই। হয়ত ক্রমিক সংখ্যায় ভুল থাকতে পারে, যা সংশোধনযোগ্য। আমি রিটার্নিং কর্মকর্তার এ সিদ্ধান্তের বিরেুদ্ধে আপিল করব।
গোলাম মওলা রনি: হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় পটুয়াখালী-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গোলাম মামলা রনির মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা। গতকাল রোববার বেলা ১২ টায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়ন বাছাইয়ে রনির মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মওলা রনি গত ২৬ নভেম্বর বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছেন। ওইদিন বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণার সময় উপস্থিত হয়ে বিএনপিতে যোগ দেন রনি। পটুয়াখালী ৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ছিলেন গোলাম মওলা রনি। ২০১৩ সালের ২০ জুলাই পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে রনি ও তার লোকজনের হাতে ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সাংবাদিক ইমতিয়াজ সনি ও ক্যামেরাম্যান মহসিন মুকুল বেদম মারধরের শিকার হন। এ ঘটনায় রনি হত্যাচেষ্টা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কারাভোগও করেন। পরে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতি ত্যাগ করেন।
হিরো আলম: নিজের পক্ষে ভুয়া ভোটারদের স্বাক্ষর জমাদান করায় আলোচিত হিরো আলমের নাম বাতিলের খাতায় তুলে দিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমাদানকারী ছিলেন হিরো আলম। গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ফয়েজ আহাম্মদ মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। নন্দীগ্রাম উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আশরাফ হোসেন বলেন, কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন নিলে তাকে তার নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের এক শতাংশের স্বাক্ষর লাগে। হিরো আলম ভোটারদের স্বাক্ষর-সম্বলিত যে তালিকা জমা দিয়েছেন তা যাচাই করা দেখা গেছে, তিনি ভুয়া ভোটারদের তালিকা জমা দিয়েছেন। জাতীয় পার্টির (জাপা) মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বগুড়া-৪ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন হিরো আলম।
ইশরাক হোসেন: ঢাকার সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ঢাকা-৬ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইশরাক হোসেনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। ঋণ খেলাপি হওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। গতকাল রোববার ঢাকা বিভাগের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলাকালে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ব্যারিস্টার আমিনুল হক: রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের মনোনয়ন বাতিল করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এসএম আবদুল কাদের। গতকাল রোববার সকালে যাছাই বাছাই শেষে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ব্যারিস্টার আমিনুল হকের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে তার মামলা সংক্রান্ত ফটোকপি দেওয়া ছিল। কিন্তু সার্টিফায়েড কপি না থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
এবাদুর রহমান চৌধুরী: বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবাদুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তিনি মৌলভীবাজার-১ আসনে মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন।
মনোনয়নপত্র বাতিলের তালিকায় আরও রয়েছেন- লক্ষ্মীপুর-১ এর বর্তমান এমপি এম এ আউয়াল, ঢাকা-৫ এ বিএনপির সেলিম ভূঁইয়া, টাঙ্গাইল-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী স্বপন ফকির, খুলনা-২ এ জাতীয় পার্টির এস এম এরশাদুজ্জামান ডলার, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত অপর প্রার্থী শাহজাহান খান, ভোলা-২ আসনে স্বতন্ত্র হুমায়ুন কবির, ভোলা-৪ আসনে জাতীয় পার্টির এমএ মান্নান, চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরী, বরগুনা-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী মতিয়ার রহমান, বরগুনা-২ আসনে মো. আলাউদ্দিন ও মো. মিজানুর রহমান, নাটোর-৪ আসনে জাতীয় পার্টির আলাউদ্দিন মৃধা, মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে মো. আবদুল্লাহ ও মো. আমিনুল ইসলাম রতন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাহাব উদ্দিন, ঢাকা-৪ আসনে বিকল্পধারার প্রার্থী কবির হোসেন, রংপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আসাদুজ্জামান বাবলু প্রমুখ।



