
‘কর্ণাটকে বিধায়ক ভাঙাতে বিপুল অর্থ ও মন্ত্রিত্বের টোপ বিজেপির’
রূপসী বাংলা কলকাতা ডেস্ক: দ্রাবিড়ভূমি কর্ণাটকে বিপাকে পড়েছে জোট সরকার। সৌজন্যে বিরোধী বিজেপির ঘোড়া কেনাবেচার খেলা। নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন থেকেই এই অভিযোগ উঠেছে পদ্ম শিবিরের বিরুদ্ধে।
এরই মাঝে প্রকাশ্যে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। শাসক জোটের বিধায়ক কেএম শিবলিঙ্গে গৌড়া অভিযোগ করেছেন যে বিধায়ক ভাঙাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ এবং মন্ত্রিত্বের টোপ দিচ্ছে বিজেপি। এমনই এক জেডি(এস) নেতাকে নাকি টোপ দিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী।
দেশ জুড়ে গেরুয়া ঝড় থেমে গিয়েছিল দ্রাবিড় ভূমি কর্ণাটকে। বিজেপিকে রুখতে জোটবদ্ধ হয় যুযুধান দুই পক্ষ কংগ্রেস এবং জেডি(এস)। অনেক নাটকীয়তার পরে ওই রাজ্যে গঠিত হয় জোট সরকার। সেই নাটকীয়তা ফের শুরু হয় কয়েকজন বিধায়ক নিখোঁজ হওয়ার পরে। গুঞ্জন ছড়ায়, ‘কর্ণাটকের সেই সকল বিধায়ক নাকি মহারাষ্ট্রে রয়েছেন। বিজেপি নেতাদের তত্তাবধানে তাঁরা আছেন এবং খুব শীঘ্রই পদ্মের পতাকা হাতে তুলে নেবেন।’
এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপি শিবিরের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ করেছেন জেডি(এস) বিধায়ক কেএম শিবলিঙ্গে গৌড়া। তিনি বলেছেন, “আমাদের এক জেডি(এস) বিধায়ককে ৬০ কোটি টাকা এবং মন্ত্রিত্বের টোপ দিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপি নেতা জগদিশ সেত্তার। ওই বিধায়ক বিজেপির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সমগ্র বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামীকে জানান।” এই জল্পনা থেকে মুক্তি পেতে দলীয় বিধায়কদের নিয়ে বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে দল। কর্ণাটকের কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া বলেছেন, “শুক্রবার সকল বিধায়কদের সিএলপি বৈঠকে ডাকা হয়েছে। ওই বৈঠকে সকল বিধায়কদের থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।” পাশপাশি তিনি আরও বলেছেন, “বৈঠকে অনুপস্থিত থাকলে সেই বিধায়কদের উপরে দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগ করা হবে। সেই সঙ্গে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ বাতিল করা হবে।”



