
চলতি বছরেই ত্রিপুরায় কংগ্রেসের সরকার ঘিরে গুঞ্জন
রূপসী বাংলা কলকাতা ডেস্ক: চলতি বছরেই কংগ্রেস ত্রিপুরায় ফের সরকার গঠন করবে। বুধবার রাজ্যের খুমলুঙে নির্বাচনী জনসভায় এমনই হুঙ্কার দিলেন জাতীয় কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী। এদিকে তাঁর আসার আগেই ক্ষমতায় থাকা বিজেপি ছেড়ে দলের সহ সভাপতি সুবল ভৌমিক ফের কংগ্রেসে ফিরেছেন। রাগা যেভাবে হুঙ্কার ছেড়েছেন তাতে ত্রিপুরার রাজনীতিতে গুঞ্জন শুরু হয়ে গেছে।
মনে করা হচ্ছে বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি সুবল ভৌমিকের পর এবার সরকারের কোনও রাঘব বোয়ালকে নিজেদের পক্ষে টেনে আনছে কংগ্রেস। খোদ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি রাজা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মা হুঙ্কার ছেড়েছেন- সুবল ভৌমিকের ফিরে আসা হল সেমিফাইনাল। আরও বিজেপি নেতা ও বিধায়ক যোগাযোগ রেখে চলেছেন। তাঁরা যে কোন সময়ই যোগ দিতে পারেন কংগ্রেসে। একাধিক মন্ত্রীও সেই পথে সামিল হবেন।

গত বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরায় দীর্ঘ বাম শাসনের অবসান হয়। কংগ্রেস ত্যাগ করে বেশিরভাগ নেতা চলে যান বিজেপিতে। তারপর বিজেপি সরকার গড়ে উপজাতি সংগঠন আইপিএফটি-কে সঙ্গে নিয়ে। সেই শরিক দলও বিজেপির বিরুদ্ধে লোকসভায় দুটি আসনে লড়াই করবে। ফলে ত্রিপুরার দুটি আসনেই এবার সরকারের শরিকি লড়াই জমজমাট।
তবে গতবারের জয়ী সিপিএম এবারও দুটি আসনেই লড়াই করছে। তারাই রাজ্যে প্রধান প্রধান বিরোধী দল। আর কংগ্রেসও বিভিন্ন উপজাতি সংগঠনের মিলিত শক্তি নিয়ে ভোটে নামছে। শুরু থেকেই নজর কাড়ছেন কংগ্রেস প্রদেশ সভাপতি রাজা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মা।

কিন্তু বর্তমানে এই রাজ্যে কংগ্রেসের একজনও বিধায়ক নেই। ৬০ সদস্যের বিধানসভায় বিজেপির রয়েছে ৩৬ জন বিধায়ক। বিজেপির অভ্যন্তরে ফাটল ধরার পর রাহুল গান্ধীর হুঙ্কারের রাজ্য বিজেপিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে সুযোগ পেলেই নিজেদের রঙ পালটে ত্রিপুরার সরকারের থাকা বিধায়করা। লোকসভার আগে প্রবল চাপে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।



