
বাংলাদেশে করোনায় আরও তিন চিকিৎসক মারা গেছেন
বুধবার সকালে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও দিনাজপুরে মোট তিনজন চিকিৎসক মারা গেছেন।
চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন-বিএমএ ঢাকা ও দিনাজপুরের দুই চিকিৎসক মারা যাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চট্টগ্রামের এক চিকিৎসকের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপন্সসিবিলিটির (এফডিএসআর)।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের অবসরপ্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক ডা. আশরাফুজ্জামান (৬১) মারা যান। বুধবার সকাল ৮টায় কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) জেলা শাখার সাবেক সভাপতি ডা. শাহ মো. আবদুল আহাদও (৬৫) করোনায় মারা গেছেন।
এদিকে ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি রাইটস অ্যান্ড রেসপন্সসিবিলিটির (এফডিএসআর) যুগ্ম সম্পাদক ডা. রাহাত আনোয়ার চৌধুরী জানান, আজ বুধবার ভোর ৪টার দিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই হাসপাতালের
সিনিয়র আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. নুরুল হক মারা যান।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ৩৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ডা. নুরুল হক গত ১৯ বছর ধরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন।
এফডিএসআরের তথ্য অনুযায়ী, এই তিনজনকে নিয়ে এ পর্যন্ত দেশে ৩৭ জন চিকিৎসক করোনায় মারা গেলেন। এ ছাড়া, করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন পাঁচ চিকিৎসক।
বিএমএর তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত দেশে চিকিৎসক, নার্সসহ তিন হাজার ২৩৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন।
আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসক আছেন এক হাজার ১৯ জন। ৩০ জন চিকিৎসক কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ে এবং পাঁচজন এ ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। ⛘



