
পাকিস্তানি কয়েকটি দূতাবাস, সাংবাদিকের টুইটার অ্যাকাউন্ট ভারতে নিষিদ্ধ
টুইটারে পাকিস্তানি কয়েকটি দূতাবাস, সাংবাদিক ও প্রথম সারির কিছু ব্যক্তিত্বের অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করেছে ভারত। দেশটির তথ্য ও প্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর অধীনে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন জিও নিউজ।
সোমবার রাতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, গভীর উদ্বেগের বিষয় যে, তালিকায় উল্লেখিতদের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট ভারতীয় টুইটারে ব্লক করে দেয়া হয়েছে। এরপরই নিষিদ্ধ ওইসব অ্যাকাউন্টের তালিকা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আছে জাতিসংঘ, তুরস্ক, ইরান ও মিশরে পাকিস্তানি দূতাবাসের অ্যাকাউন্টও।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈচিত্রপূর্ণ কণ্ঠস্বর এবং ভারতের তথ্য পাওয়ার স্থান সংকুচিত হয়ে আসা চরম উদ্বেগের। এতে আরও বলা হয়, টুইটার সহ সামাজিক যোগাযোগের প্লাটফর্মকে আন্তর্জাতিক আদর্শ মেনে চলা উচিত।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রযুক্তিভিত্তিক এই কোম্পানির কাছে আহ্বান জানিয়েছে বিধিনিষেধ দেয়া অ্যাকাউন্টগুলো অবিলম্বে খুলে দিতে। যাতে গণতান্ত্রিকভাবে কথা বলার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়।
টুইটার থেকে যেসব সাংবাদিককে নিষিদ্ধ করেছে ভারত তারা হলেন দ্য নিউজ ও জিও নিউজের লন্ডনের সাংবাদিক মুরতজা আলি শাহ ও রানা আইয়ুব, সিজে ওয়েরলেম্যান।
এর মধ্যে ভারতীয় সাংবাদিক আদিত্য ঝা ঘোষণা দিয়েছেন যে, মুরতজা আলি শাহের অ্যাকাউন্ট ভারত বন্ধ করে দিয়েছে রাষ্ট্রীয় আইনগত বিষয়ে।
টুইটারে মুরতজা আলি শাহের অনুসারি প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার। কমপক্ষে ১৭ বছর ধরে তিনি দ্য নিউজ এবং জিও টিভির সঙ্গে যুক্ত আছেন। তার অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে ভারতের একটি আইনগত নোটিশ তিনি টুইটারের কাছ থেকে ইমেইলে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
ওই ইমেইলে তাকে বলা হয়েছে: হ্যালো মুরতজা ভিউজ, ভারতের স্থানীয় আইনের অধীনে বাধ্যবাধকতা মেনে টুইটার ভারতে এই অ্যাকাউন্টটি স্থগিত করছে। এটা করা হচ্ছে ভারতীয় তথ্য ও প্রযুুক্তি আইন ২০০০-এর অধীনে। মুরতজা আলি শাহের জন্ম কাশ্মীরে।
কিন্তু তার পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন লন্ডনে। তিনি বলেছেন, টুইটারের কাছ থেকে এই নোটিশ পেয়ে হতাশ হয়েছেন। একে তিনি মত প্রকাশের স্বাধীনতার বৈধতার ওপর আঘাত বলে মনে করছেন।



