
কলকাতায় ডিম মহার্ঘ, মুরগির ভাইরাস, খাবারের দাম দ্বিগুণ
কলকাতার খুচরো ও পাইকারি বাজারে ডিম এখন মহার্ঘ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গরিবের প্রোটিন এখন ধরাছোঁয়ার বাইরে।
এক একটি ডিম বিক্রি হচ্ছে সাড়ে সাত টাকা থেকে আট টাকা পিস দরে। এক ট্রে ডিম কিনলেও এই দাম কমছে না।
মূলত অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে কলকাতায় ডিম সরবরাহ হয়। সেখানে মুরগির ভাইরাস দেখা দেয়ায় এক লাখের বদলে চল্লিশ হাজার ডিম আসছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত মুরগির খাবারের দামে উর্ধমুখীতায়। মুরগির খাবার ভাঙা চাল আগে পাওয়া যেত বারো টাকা কেজি দরে।
এখন তার দাম চব্বিশ টাকা কেজি। ভুট্টা আগে মিলতো তেরো টাকা কেজি দরে, এখন তা বেড়ে হয়েছে উনিশ টাকা।
মুরগির খাবার জোগানোই দায় হয়েছে ব্যবসায়ীদের পক্ষে। এর ফলে ডিমের খুচরো ও পাইকারি দর বাড়ছে বলে জানিয়েছে পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন।
নভেম্বর-ডিসেম্বর মাস কেকের মরশুম। কেক বানাতে ডিম লাগে তাই, ডিমের চাহিদা এই সময় বাড়ে।
পঞ্চাশ পয়সা ডিমের দাম বাড়ে এই সময়টাতে। এবার দাম আরও বেড়েছে। একটি ডিম মধ্যবিত্ত অথবা গরিবদের প্রোটিন যোগায়।
মাছ মাংসের বিকল্প হিসেবে ডিমের জুড়ি নেই। সেই ডিমের দাম এই ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বিগ্ন মানুষজন।
কিছুদিন আগে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে ডিমের অগ্নিমূল্য বিপাকে ফেলেছিল সেখানকার মানুষজনকে। সেই রোগ এখন এপার বাংলায়। তাই, চিন্তিত মানুষ।



