
দুর্নীতির অভিযোগে আর্জেন্টিনার ভাইস-প্রেসিডেন্টকে ৬ বছরের সাজা
আর্জেন্টিনার ভাইস-প্রেসিডেন্ট ক্রিশ্চিনা ফার্নান্দেজ দে কির্শনারের বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছেন। দেশটির আদালত তাকে এ জন্য ছয় বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। এছাড়া আজীবনের জন্য তাকে সরকারী পদের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও বর্তমানে ভাইস-প্রেসিডেন্ট পদে থাকায় তাকে এখনই কোনো শাস্তি পেতে হচ্ছে না। তার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি মুক্ত থাকবেন বলে জানিয়েছে আরটি।
খবরে জানানো হয়, গত সাড়ে তিন বছর ধরে এই মামলাটি চলছিল। রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্সের ফেডারেল কোর্টে শতাধিক সাক্ষি গ্রহণের পর তার দুর্নীতির বিষয়ে নিশ্চিত হয় আদালত। তিনি ২০০৭ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন তিনি ঘুষ গ্রহণ করেছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি আর্জেন্টিনার ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। এছাড়া সিনেটের প্রধানও তিনি।
সিনেটের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য যদি তার বিরুদ্ধে ভোট দেয়, তাহলেই কেবল তাকে পদচ্যুত করা সম্ভব। এছাড়া তিনি তার সাজা বাতিলে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করতে পারবেন।
মঙ্গলবারের ওই রায় ছিল আর্জেন্টিনার ইতিহাসে প্রথম কোনো ভাইস-প্রেসিডেন্টের সাজা পাওয়ার ঘটনা। যদিও কির্শনার তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং একে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে আখ্যায়িত করেছেন।



