
কোটিপতি ট্রাম্প বাতিল, ‘মধ্যবিত্ত’ বাইডেনকেই বেছে নিল যুক্তরাষ্ট্রবাসী
২০১৬ সালে ইতিহাসের সবচেয়ে ধনী প্রেসিডেন্টকে বাতিল করে দিয়ে এবার ‘মধ্যবিত্ত’ জো বাইডেনকে বেছে নিলেন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ।
উনিশ শতকের সত্তরের দশক থেকেই সক্রিয় রাজনীতিতে জো বাইডেন। তখন থেকে নিজেকে ‘মধ্যবিত্ত’ বলে বর্ণনা করে আসছিলেন তিনি। ফলে তিনি ‘মিডল ক্লাস জো’ নামে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন। সেই জো বাইডেন এখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট।
তবে তিনি ‘মিডল ক্লাস জো’ নামে পরিচিত হলেও বাস্তবে সম্পত্তির মূল্যমানে মিলিয়নেয়ার।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় সম্পত্তির যে হলফনামা দিতে হয়েছে ২০১৬, ’১৭ এবং ’১৮-এর স্টেট এবং ফেডেরাল আয়কর রিটার্নের যে হিসাব পাওয়া যায়, ফোর্বস-এর ২০১৯-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বাইডেনের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৯০ লাখ ডলার। এর মধ্যে ডেলাওয়ারে রয়েছে ৪০ লাখ ডলারের দুটি বাড়ি। নগদ এবং বিনিয়োগ মিলিয়ে রয়েছে আরো ৪০ লাখ ডলার এবং ১০ লাখ ডলার পেয়েছেন ফেডারেল পেনশন হিসেবে।
১৯৭৩ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত সিনেটর ছিলেন জো বাইডেন। সিনেট-এর হিস্টোরিক্যাল রেকর্ড বলছে, এই সময়ের মধ্যে বাইডেনের বেতন ৪২ হাজার ৫০০ ডলার প্রতি বছর থেকে ১ লাখ ৭৪ হাজার ডলার পর্যন্ত হয়েছে। বাইডেন তখন মজা করে বলতেন, ‘আমি কংগ্রেসের সবচেয়ে গরিব মানুষ’।
২০০৯ সালে বারাক ওবামার ভাইস প্রেসিডেন্ট হোন বাইডেন। ২০১৭ পর্যন্ত ওই পদে ছিলেন। এই সময় তার বেতন এক ধাক্কায় ৩০ শতাংশ বাড়ে। প্রতি বছরে সেই বেতন দাঁড়ায় প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার ডলার। ২০১৯-এ বাইডেন যখন তাদের আর্থিক সম্পত্তির পরিমাণ প্রকাশ্যে আনেন তখন তিনি জানিয়েছিলেন, ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে তার এবং স্ত্রী জিলের সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৫ লাখ ডলার।
তবে এই দম্পতির বেশিরভাগ সম্পত্তিই এসেছে বিভিন্ন জায়গায় বক্তৃতা দিয়ে বইয়ের রয়্যালটি থেকে। অন্তত বাইডেনের ক্যাম্পেইন ওয়েবসাইট এবং আয়কর বিবরণীতে এমনটিই জানানো হয়েছে।❐
বিজনেস ইনসাইডার



