আন্তর্জাতিক

আফগানিস্তানে ভবিষ্যত দেখেন না দেশটির নারী শিক্ষার্থীরা

তালেবান কর্তৃক কাবুল দখলের পর থেকেই অসংখ্য মানুষ আফগানিস্তান ছেড়ে পালাচ্ছেন। তাদের মধ্যে প্রচুর সংখ্যক নারী শিক্ষার্থীও রয়েছে। যারা তালেবান শাসনের অধীনে নিজ দেশে শিক্ষার ভবিষ্যত দেখছেন না। বলছেন, পূর্বের শাসনের মতো তালেবান আবারও নারীর অধিকার হরণ করে নিতে পারে। পরিবার ও আত্মীয়দের কাছ থেকে সেই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা তারা শুনেছেন। তাই দেশ ত্যাগ করা।

তালেবানের ভয়ে আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে বর্তমানে কাতারের রাজধানী দোহায় অবস্থান করছেন, এমন কয়েকজন নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। সেখানেই এসব কথা বলেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আবার অন্ধকারের দিকে পতিত হচ্ছি।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এগুলো সেই সব গল্প, যা আমরা আমাদের বাবা -মা এবং দাদা-দাদিদের কাছ থেকে শুনেছিলাম। এতদিন এগুলো কেবল গল্প ছিল। কিন্তু এখন যেন দুঃস্বপ্ন সত্যি হয়েছে।

সেই যুগ (১৯৯৬-২০০১ সালে তালেবান শাসনামল) কতটা নির্মম ও কঠোর ছিল তা সবাই জানে, যোগ করেন তিনি।

তালেবান শাসনামলে মেয়েদের আলাদা ক্লাস করানোর জন্য দেশে পর্যাপ্ত নারী শিক্ষক নেই বলেও মন্তব্য করেন এই্ শিক্ষার্থী। বলেন, তালেবানদের কথা তিনি বিশ্বাস করেন না।

সেখানে উপস্থিত অন্য নারী শিক্ষার্থীদেরও একই অভিমত। তারা বলেন, যতদিন পর্যন্ত তালেবান ক্ষমতায় আছে, এমনকি যদি তারা সমন্বিত সরকারও গঠন করে ততদিন আফগানিস্তানে ফিরবেন না এই নারীরা।

তৃতীয় একজন বলেন, আমার কাছে মনে হচ্ছে আমি দেশটিতে আর থাকতে পারবো না এবং আমার দেশকে আর ফিরে পাবো না। কারণ, আফগানিস্তানের পরিস্থিতি দিনকে দিন খারাপ হচ্ছে। আমি সেখানে কোনো ভবিষ্যত দেখতে পাচ্ছি না। আরেকজন বলেন, দেশকে গঠন করতে ২০ বছর লেগেছে এবং এখন মুহূর্তেই সব ভেঙে গেছে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension