যুক্তরাষ্ট্র

এক ঘণ্টার দায়িত্ব, তারপর বরখাস্ত

সিয়াটলের ইউএস অ্যাটর্নি রজার রগফকে সরালেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প; বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন বিতর্ক

হোসনেআরা চৌধুরী, নিউইয়র্ক

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিয়াটলের নতুন নিযুক্ত ইউএস অ্যাটর্নি রজার রগফকে (Roger Rogoff) শপথ নেওয়ার পরপরই বরখাস্ত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ইতিহাসে বিরল এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

রজার রগফকে ওয়াশিংটনের ওয়েস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের ইউএস অ্যাটর্নি হিসেবে ফেডারেল বিচারকদের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিনের ফেডারেল প্রসিকিউটর ও অভিজ্ঞ বিচারক রগফ দায়িত্ব গ্রহণের পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তে পদ হারান।

ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইউএস অ্যাটর্নি নিয়োগ ও অপসারণের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে। প্রশাসনের কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, বিচারকদের এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় করা হয়নি।

অন্যদিকে সমালোচকরা বলছেন, ফেডারেল বিচারকদের মাধ্যমে বৈধভাবে নিয়োগ পাওয়া একজন কর্মকর্তাকে এত দ্রুত সরিয়ে দেওয়া বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলছে।

রগফের অপসারণের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতা, ফেডারেল আদালতের ভূমিকা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে। তিনি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সিয়াটলের এই ঘটনা ভবিষ্যতে ফেডারেল নিয়োগ ও প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সীমা নিয়ে বড় ধরনের আইনি লড়াইয়ের পথ তৈরি করতে পারে।

ঘটনার মূল বিষয়

* রজার রগফ সিয়াটলের ইউএস অ্যাটর্নি হিসেবে নিয়োগ পান
* শপথের পরপরই তাকে বরখাস্ত করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
* নিয়োগ ও অপসারণের ক্ষমতা নিয়ে সাংবিধানিক প্রশ্ন
* সম্ভাব্য আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension