
করোনা: চলতি বছরেই ১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হবেন
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আরোপিত লকডাউনে আশঙ্কাজনক হারে কমেছে শহর ও গ্রামাঞ্চলের কর্মজীবী মানুষের আয়। ফলে চলতি বছরের মধ্যেই ১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হবেন।
২৪ জুন বুধবার বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ডেভলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) রিসার্চ ডিরেক্টর বিনায়ক সেনের করা ‘পোভার্টি ইন দ্য টাইম অব করোনা: শর্ট-টার্ম ইফেক্টস অব ইকোনমিক স্লোডাউন অ্যান্ড পলিসি রেসপন্সেস থ্রু সোশ্যাল প্রোটেকশন’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রবন্ধে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
বিআইডিএস আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় গবেষণাটি উন্মোচন করা হয়।
সেখানে বলা হয়, লকডাউন পরবর্তী সময়ে সার্বিকভাবে দেশে ২৫.১৩% দারিদ্র বৃদ্ধি পাবে। আলাদা করে বলা হলে গ্রামের ক্ষেত্রে ২৪.২৩% ও শহরে ২৭.৫২%।
গবেষণাপত্র তুলে ধরতে গিয়ে বিনায়ক সেন বলেন, লকডাউনের প্রভাবে ‘সম্পদ ও শ্রমের অবস্থার’ বিবেচনায় তথ্য সংগ্রহ করে দেখা গেছে, শহরের শ্রমজীবীদের ৮০% ও গ্রামের শ্রমজীবীদের ১০% আয় কমেছে। এমতাবস্থায় আমাদের দেশে নতুন করে ১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়ে পড়তে পারেন।
এর আগে গেল ৯ এপ্রিল অক্সফ্যাম এক রিপোর্টে সতর্কতা দিয়ে জানিয়েছিল, দ্রুত দরিদ্র দেশগুলোর পাশে না দাঁড়ালে, বিশ্বে আরও ৫০ কোটিরও বেশী মানুষ অসহনীয় দারিদ্রের মুখে পড়বেন।
অক্সফ্যাম ওই সমীক্ষায় আরও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ফলে নতুন করে ৫৪ কোটি ৮০ লক্ষ মানুষের দৈনিক রোজগার নামতে পারে সাড়ে পাঁচ ডলারের নীচে। যা বিশ্ব ব্যাঙ্কের দারিদ্র সীমার অন্যতম সংজ্ঞা। ⛘



