
চিৎপুরের নতুন যাত্রাপালা ‘মমতার ডাকে দিল্লি চলো’
রূপসী বাংলা কলকাতা ডেস্ক: হাতে আর কয়েক মাস। লোকসভা নির্বাচন কড়া নাড়ল বলে। রাজ্যের চৌকাঠ পেরিয়ে এবার গোটা দেশের রাজনীতির নিয়ন্তা হতে চলেছে বাংলা। যাকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতি আগামী ২০১৯ এর লোকসভায় আবর্তিত হবে।
গত ২১ শে জুলাই ধর্মতলা থেকে হুশিয়ারি দিয়েছিলেন বিজেপিকে দেশ ছাড়া করবেন। তিনি সেদিন ঘোষণা করেছিলেন বছরের শুরুতেই সারা দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের এই সমাবেশে হাজির করাবেন। এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই দিল্লি চলো ডাক দিতে জানুয়ারিতে সর্বভারতীয় স্তরে ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে সমাবেশ ডেকেছেন।
রাজ্য রাজনীতির এই পট ভূমিতে চিৎপুরের এক যাত্রা সংস্থা এবার পালা তৈরি করছে, ‘মমতার ডাকে দিল্লি চলো’। আসন্ন কালীপুজোর পর গ্রাম এবং শহরে মঞ্চস্ত হতে চলেছে এই যাত্রাপালা। আগের দুটি পালার মতো এবারেও মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভূমিকায় থাকছেন সীতা ঘোষ।
প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টায় পালায় কুশীলবের সংখ্যা এক ডজন। প্রত্যাশিত কারণেই মমতার চরিত্রেই রয়েছে সিংহভাগ সংলাপ। মমতা চরিত্রের পোড়খাওয়া শিল্পী বরিশা নিবাস সীতা বলেন, ‘‘শুধু পাঠ নয় দিদির হাঁটাচলা থেকে কঠোর জীবনযাত্রা সবটুকুই নজর রাখতে হচ্ছে। ভিডিও দেখছি৷ বক্তৃতা শুনছি নিজেও বেশ কিছু দূর থেকে দেখেছি৷ প্রথম প্রয়াস লাগলেও এখন নিজের উপর বিশ্বাস বেড়েছে।’’
বাম আমলের শেষের দিকে ‘বাংলার মসনদে’ ও ‘মা মাটি মানুষ’ এই দুটি পালায় অভিনয় করে তাক লাগিয়ে ছিলেন তিনি।
এই মুহূর্তে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে প্রধান বিরোধী মুখ হলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই কারণে আগামী লোকসভা নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাংলার মানুষের কাছে। কারণ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে একজোট করার চেষ্টা করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
আর তারই চূড়ান্ত রিহার্সাল চলছে বাগবাজার মাধব প্লাসে। দর্শকদের সামনে তুলে ধরতে চলেছে আশিস প্রামাণিক প্রযোজিত ও প্রধান উপদেষ্টা তাপস সেনের বর্তমান সময়ের জ্বলন্ত দলিল ‘মমতার ডাকে দিল্লি চলো’। যার মুখ্য ভূমিকায় যাত্রার কিংবদন্তির নায়িকা সীতা ঘোষ।



