
জেনোসাইড কনফারেন্সে মুক্তিযুদ্ধের গণহত্যা
রূপসী বাংলা নিউ ইয়র্ক ডেস্করি
ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি অব স্যাক্রামেন্টে নভেম্বরের ১ থেকে ৩ তারিখ পর্যন্ত তিনদিন ব্যাপী পঞ্চম আন্তর্জাতিক গণহত্যা সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল, ‘পৃথিবী জুড়ে গণহত্যার রকম: চ্যালেঞ্জ, প্রতিক্রিয়া এবং জবাবদিহীতা। সন্মেলনে গণহত্যা অস্বীকারের ওপর দৃষ্টিপাত করা হয়। গণহত্যার পর আন্তর্জাতিক গ্রেফতারের যুদ্ধাপরাধ, সংশোধনবাদ, গণহত্যার স্মৃতি, গণহত্যা থেকে বেঁচে ফেরা; ন্যায়বিচার, গণহত্যা প্রতিরোধ; গণহত্যার অপরাধী, পালিয়ে যাওয়া অপরাধী, ইত্যাদি বিষয়গুলো আলোচিত হয়।

তিনদিন ব্যাপী এই গণহত্যা সন্মেলনটিকে মোট সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়। মোট ৩৪টি বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন ও পাঠ এবং এর আলোকে আলোচনা করা হয়। সন্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন জেনোসাইড কনফারেন্সের চেয়ারম্যান, প্ল্যানিং কমিটি এবং ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি স্যাক্রামেন্টের এথনিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. বোয়াটামো মোসুপাইওয়ি।

সন্মেলনের দ্বিতীয় দিনের ষষ্ঠ অধিবেশনে ‘জেনোসাইড ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক, মুক্তিযোদ্ধা প্রদীপ রঞ্জন কর। এই অধিবেশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউভার্সিটির ক্রিমিনাল জাস্টিস বিভাগের অধ্যাপক ড. সিসিল ক্যান্টন।
কনফারেন্সে বিষয়ের ওপর আলোকপাত করেন রিপাবলিক অব রুয়ান্ডার প্রেসিডন্ট পল কাগামির পক্ষ থেকে রিপাবলিক অব রুয়ান্ডার মিনিস্ট্রি অব জাস্টিসের অ্যাটর্নি জেনারেল জনস্টন বাসিংগেয়ি।
প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বর্বর পাকিস্তানি মাত্র ৯ মাসে বাংলাদেশের তিরিশ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছে। দু লক্ষ নারীকে ধর্ষণ করেছে। আর্মেনিয়া, রুয়ান্ডা, কম্বোডিয়া, সিয়েরা লিওন, বসনিয়ার মত আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে বাংলাদেশের গণহত্যার স্বীকৃতি জরুরি হয়ে পড়েছে।



