
ট্রাম্পের বিদায় ঘণ্টা
এমন কম দিনই গেছে যেদিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদের শিরোনাম হন নি। নাটকীয় নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গত চার বছর প্রায় প্রতিদিন প্রেসিডেন্ট ভবন মাতিয়ে রেখেছিলেন তিনি। এখন হোয়াইট হাউসে বাজতে শুরু করেছে ট্রাম্পের বিদায়ের ঘণ্টা।
নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন। এই সত্য ও বাস্তবতা এড়াতে পারছেন না।
পরাজয় না মানলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন ক্ষমতা ছাড়ার। এখন বিদায় নেওয়ার পালা। হোয়াইট হাউসে তাই বিদায়ের করুণ আবহ বিরাজ করছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে কোনও প্রাণচাঞ্চল্য নেই। অনেকটাই শান্ত হয়ে পড়েছে ওয়েস্ট উইং নামে সবসময় গমগম করা এলাকাটিও।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর প্রায় তিন সপ্তাহ পার হয়ে গেছে। ভোট গণনা ও বুথফেরত জরিপে পরাজয় স্পষ্ট হলেও তা মানতে অস্বীকার করতে থাকেন ট্রাম্প।
নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে দাঁড় করান উদ্ভট সব অভিযোগ। এমনকি শুরু করেন আইনি লড়াইও। কিন্তু একে একে যখন তার সব দরজা বন্ধ, তখন বাধ্য হয়েই ক্ষমতা ছাড়ার ইঙ্গিত দেন। সেই সঙ্গে নিজের প্রশাসনকে দিয়েছেন হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সব কিছু করার নির্দেশ।
সোমবার ট্রাম্প বলেন, ‘ক্ষমতা হস্তান্তরে ফেডারেল এজেন্সির যা যা করা দরকার তারা তা শুরু করতে পারে।’ প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া দেখভালের দায়িত্ব বর্তায় স্বাধীন ফেডারেল প্রতিষ্ঠান জেনারেল সার্ভিস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (জিএসএ) ওপর।
আগামী ২০ জানুয়ারিই হোয়াইট হাউস ছাড়তে হচ্ছে ট্রাম্পকে। এরই মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তার প্রশাসনিক কাজ শুরু করেছেন। ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নিতে যোগাযোগ করছেন ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে।❐



