
বাংলাকে হিংসে করে লাভ নেই, উৎসবে বিশ্বে এক নম্বর বাংলাই: মমতা
রূপসী বাংলা ঢাকা ডেস্ক, আন্তর্জাতিক রিপোর্ট: প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে নিউটাইনে বিশ্ববাংলা তোরণের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এর পাশাপাশি নবান্ন থেকে বারুইপুর জেল এবং বারাসত ভবন–সহ একাধিক সরকারি ভবনেরও উদ্বোধনও করলেন তিনি। এরপরই রাজ্যের বিরোধীদের কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়াও জানালেন মমতা।দুর্গাপুজো থেকে ছটপুজো– গত দু’মাসে গোটা বাংলা মেতে উঠেছিল উৎসব–আনন্দে। এই প্রসঙ্গে তিনি বললেন, ‘বাংলাকে হিংসে করে লাভ নেই। উৎসবকে পাল্লা দেবে উৎসবই। গোটা বিশ্বের মধ্যে উৎসবে এগিয়ে বাংলাই।
রাজ্য এবং কলকাতা পুলিস দুর্গাপুজো, দীপাবলি থেকে ছট পুজো অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সামলেছে।’ এরপরই স্কাইওয়াক নিয়ে বক্তব্য রাখেন তিনি। জানান, ‘দক্ষিণেশ্বরে স্কাইওয়াক তৈরি হয়েছে। কিন্তু উদ্বোধনের পরদিনই সেখানে কেউ পানের পিক ফেলেছে। তা দেখতে অত্যন্ত কুৎসিত ব্যাপার। এ ব্যাপারে সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে। ট্রাস্টি বোর্ডকে গোটা বিষয়টিতে কড়া নজর রাখতেও বলা হয়েছে। আগামিদিনে এই ধরনের কাজকর্ম যাতে না হয়, সে ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কেউ করলে তাঁকে শাস্তি দেওয়ার নির্দেশও জারি করেছি। আগামিদিনে কালীঘাটেও এধরনের স্কাইওয়াক তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্য সরকারের। পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে সার্ভে করতেও বলেছি।’
এরপরই বিরোধীদের কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘আগের বামফ্রন্ট সরকার আমাদের মাথায় কয়েক হাজার কোটি টাকার দেনা চাপিয়ে দিয়ে গিয়েছে। তা শোধ করেও আমরা একাধিক জনকল্যানমূলক কাজ করেছি। তাও এত কম সময়ে। গোটা দেশে আর কোথাও এত কাজ হয়নি। চলতি আর্থিক বছরেও আমাদের ৪৮ হাজার কোটি টাকা দেনা শোধ করতে হচ্ছে। সেটা না করতে হলে বাংলাই গোটা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারত।
এরপর সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘এ রাজ্যে অনাহারে কেউ মারা যায়নি। প্রত্যেকের কাছে আমরা দু’টাকা কিলো দরে চাল পৌঁছে দিয়েছি। রাজ্যের পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলিকে স্পেশাল প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে। বাংলায় কৃষকদের আয় বেড়েছে ৩ গুণ। অথচ দেশের অন্যান্য অংশে ২০২২ সালে কৃষকদের আয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’
সুত্রঃ আজকাল



