
বিজয়ের দিনলিপি- ৭ ডিসেম্বর ১৯৭১
ভুটান বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেয়।
ভোরের দিকে সিলেট বিমানবন্দরের কাছে ভারতীয় প্যাট্র্রোপার অবতরণ করে। তারা সিলেটে পাকিস্তানিদের প্রধান ঘাঁটি আক্রমণ করে। বিকেলের মধ্যেই সিলেটের পাকিস্তান জেনারেল ইনচার্জকে তার সেনাদের সঙ্গে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করা হয়।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর নবম বিভাগ উত্তর দিক থেকে যশোর সেনানিবাসে পৌঁছায়। তারা কোনও প্রতিরোধ ছাড়াই ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে তারা সেনানিবাস সম্পূর্ণ জনশূন্য দেখে খুব বিস্মিত হয়। প্রচুর অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং নিয়ন্ত্রণ কক্ষে মানচিত্র ফেলে রেখে পাকিস্তানি সেনারা সেনানিবাস থেকে পালিয়ে গেছে।
সোভিয়েত নেতা লিওনাইড ব্রেজেনভ কোনও ধরনের বহিরাগত হস্তক্ষেপ ছাড়া পাক-ভারত সংঘর্ষের একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানান ।
ময়মনসিংহের ভালুকাতে প্রচন্ড চলছিল, মেজর আফসারের সৈন্যরা তিন দিক থেকে থানায়, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ঘাঁটিতে হামলা চালায়।
যৌথ বাহিনী চান্দিনা এবং জাফরগঞ্জের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। কুমিল্লা ও লাকসামে যুদ্ধ অব্যাহতভাবে চলতে থাকে।
বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে করতোয়া সেতুকে কেন্দ্র করে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে আর্থিক সাহায্য বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সৌজন্যে ইংরেজি থেকে অনুদিত-মুখা।



