বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভারতযুক্তরাষ্ট্র

ভারতে মুসলিম বিরোধী কর্মকাণ্ডে ফেসবুকের সমর্থন: ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল

একটি ফেসবুক পোস্টে ভারতের বিজেপির শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদ্য রাজা সিং লেখেন, ‘ভারতে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের গুলি করে মারা উচিৎ। মুসলিমরা বিশ্বাসঘাতক, তাদের সব মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়া দরকার।’

২০১৮ সালের আগস্টে করা তারই এই পোস্ট মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। কিন্তু এর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয় নি ফেসবুক। সে সময় রাজা সিংয়ের ওই মন্তব্য সম্পর্কে ফেসবুকের কর্মীরা ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেন।

একই বছরের মার্চে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের করা মন্তব্য পর্যবেক্ষণ করেন এমন কর্মীরা সুপারিশ করেন, রাজা সিং শুধু ফেসবুকের নিয়ম ভঙ্গই করে নি বরং বড় ধরণের সহিংসতাকে উস্কে দিয়েছেন। তারা রাজা সিংয়ের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বাতিল ও বিশ্বব্যাপী ফেসবুকের কার্যক্রমের রাজা সিংকে নিষিদ্ধ করার জন্য জোর আবেদন করেন।

ফেসবুকে একই বছর মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের রেডিও জকি অ্যালেক্স জন, দেশটির শীর্ষস্থানীয় মুসলিম নেতা লুইস ফোরকান এবং অসংখ্যা শ্বেতাঙ্গকে মিথ্যা ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন বক্তব্যের জন্য শাস্তি দিয়েছিল।

কিন্তু রাজা সিং এখনও ফেসবুকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন। সক্রিয় রয়েছেন ফেসবুকের মালিকানাধীন অন্য মাধ্যমগুলোতেও। ফেসবুকে তার হাজার হাজার অনুসারী রয়েছেন।

ভারতে ফেসবুকের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা পাবলিক পলেসি এক্সিকিউটিভ আঁখি দাস কর্মরত রয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন বর্তমান এবং সাবেক কর্মী জানান, রাজা সিংসহ ৪ জন বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে ওঠা মুসলিম বিদ্বেষের অভিযোগ আমলে নেন নি। অভিযোগ রয়েছে ফেসবুকে কিছু অভ্যন্তরীণ কমিউনিটি গ্রুপ রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন রকম ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম এবং হিংসাত্মক প্রচারণা চালানো হয়। এসব অভিযোগ এড়িয়ে যায় ফেসবুক।

বিজেপির সুপারিশেই আঁখি দাস ২০১১ সালে ফেসবুকে চাকরি পান। তিনি অধিনস্ত কর্মীদের বলেন, যদি বিজেপির (ক্ষমতাসীন) কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় তাহলে ফেসবুকের ব্যবসায় বড় ধরণের বিপর্যয় ঘটবে। কারণ এখানে সংস্থাটির সবচেয়ে বেশী ব্যবহারকারী রয়েছে।

ফেসবুক বড় ধরণের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বর্তমান সময়ে ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন পোস্টের কারণে। এমন সময়ে ভারতে হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের দ্বারা বিভিন্ন সময় প্রতিষ্ঠানটির ভায়োলেন্স রুলস ভঙ্গ হচ্ছে। কিন্তু রাজনৈতিক কারণে এ বিষয়ে বিজেপিকে ছাড় দিচ্ছে ফেসবুক।

ফেসবুকের সাবেক প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন অ্যালেক্স স্টামস। বর্তমানে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জাবেটরি হিসেবে কাজ করছেন। তিনি এক টুইটে বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী ফেসবুকে হিংসাত্মক কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়া জন্য ফেসবুকের একটি নীতি দায়ী। তা হচ্ছে বিভিন্ন দেশের সরকারকে খুশি রাখা।’

যুক্তরাষ্ট্রে কিভাবে ফেসবুক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম ‍পরিচালনা করে থাকে, যেখানে প্রতিদিনই রাজনৈতিক নানা জটিলতার মধ্যে পড়তে হয় প্রতিষ্ঠানটিকে। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি বড় বিজ্ঞাপন দাতা প্রতিষ্ঠান ফেসবুক বয়কট করেছে। শুধুমাত্র বিভিন্ন ঘৃণ্য এবং হিংসাত্মক পোস্ট নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার কারণে। তবে ফেসবুক নিজেদের কুকর্ম অস্বীকার করে বলেছে, বিশ্বব্যাপী হিংসাত্মক কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণে কোনও আপস করছে না তারা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফেসবুকে নানা ভুয়া তথ্য প্রকাশ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মার্ক জাকারবার্গ বলেন, রাজনীতিবিদরা ফেসবুকে কি করছেন তা মানুষ দেখতে চায়।’ ‘কিন্তু এটার একটা সীমা আছে। আমরা এটি নির্দিষ্ট করে দিয়েছি।’

ফেসবুকের বর্তমান এবং সাবেক কয়েকজন কর্মী জানান, ভারত সরকারের হস্তক্ষেপে চাকরি পাওয়া আঁখি দাসের মাধ্যমেই বিজেপি নেতা রাজা সিং ও ভারতীয় জনতা পর্টি ফেসবুকে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আর এসবের কোনও শাস্তি তাদের দেওয়া হচ্ছে না।

ফেসবুকের মুখপাত্র অ্যান্ডি স্টোন ওয়ালিস্ট্রিট জার্নালের কাছে স্বীকার করেন যে, ‘আঁখি দাস এবং রাজা সিং ও বিজেপির অপরাধ সম্পর্কে আগে থেকেই জানতেন। এবং রাজা সিং একজন ‘বিপজ্জনক’ মানুষ। রাজা সিংয়ের মতো বিরোধী দলীয় নেতা ফেসবুকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, তাই তাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

অ্যান্ডি স্টোন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ফেসবুক বিজেপির এসব কার্যক্রম সম্পর্কে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা সে সিদ্ধান্ত জানায় নি।’

মুখপাত্র জানান, ‘ফেসবুক গোটা বিশ্বে বিভিন্ন ধরনের হিংসাত্মক পোস্ট নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়ে থাকে। তবে, ‘কোনও র্শীর্ষ রাজনৈতিক (সরকার দলীয়) বা সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ব্যতীত।’ এবং দিল্লীতে রক্তক্ষয়ী হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার সময়েও একই কাজ করেছিল ফেসবুক।

এসব বিষয়ে কথা বলার জন্য ফেসবুকের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা ও পাবলিক পলেসি এক্সিকিউটিভ আঁখি দাস, বিজেপি নেতা রাজা সিং, বিজেপির মুখপাত্র, নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যের জন্য যোগাযোগ (ওয়ালিস্ট্রিট জার্নাল যোগাযোগ করে) করা হলে তারা রাজি হন নি। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র এ বিষয়ে মোদি কোনও বক্তব্য দেবেন না বলে জানিয়ে দেন।

ফেসবুক তাদের কার্মপরিকল্পনা ঠিক করে রাজনৈতিক দৃশ্যপট দেখে। এবং যুক্তরাষ্ট্রেও তারা নিজেদের স্বার্থে ঘৃণা ছড়ায় এমন পোস্ট এড়িয়ে যায়। সিঙ্গাপুর থেকে ফেসবুক তাদের এশিয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সেখানে তারা একটি ‘সংশোধনীর নোটিশ’ দিয়েছিল যে সরকার বিরোধী সংবাদ নিয়ন্ত্রণ করার। এবং ভিয়েতনাম সরকারের সঙ্গে ফেসবুক একমত হয় যে এমন সব রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ন্ত্রণ করবে যেগুলোর কারণে সরকার পরিবর্তনের ঝুঁকি রয়েছে। এমনকি সরকার বিরোধী পোস্টগুলোর ‘রিচ’ তুলনামুলক কম করে দেওয়া হয়।

ফেসবুকের সবচেয়ে বড় বাজার ভারত। কারণ চীনে ফেসবুকের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। দেশটিতে ফেসবুকের মালিকানাধীন হোয়ার্টস অ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যাও অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বেশী। নতুন কোনও পণ্য বাজারে আনলে তার প্রথম প্রাধান্য পায় ভারত। প্রতিষ্ঠানটি ভারতে সবচেয়ে বেশী বিদেশি বিনিয়োগ করে। ৫.৭ বিলিয়ন (এক বছরে বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের বেশি) মার্কিন ডলার। যা দেশটিতে সর্বোচ্চ বিদেশি বিনিয়োগ। ফেসুবকের সঙ্গে অংশিদারিত্ব চুক্তি হয় ভারতীয় শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি জিও টেলিকমের। যার মালিক ধনকুবের মুকেশ আম্বানি।

জুনে ভারত চায়না কোম্পানির মালিকানাধীন ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক নিষিদ্ধ করে। যখন মার্কেট দখল নিয়ে ফেসবুক ও টিকটক প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হয় তখনই ভারত এই সিদ্ধান্ত নেয়। ফেসবুক হোয়ার্টস অ্যাপ পেমেন্ট পদ্ধতি চালুর সিদ্ধান্ত নেয় ভারতে। এবং কোনও অসুবিধা ছাড়াই ভারত সরকার সেটির অনুমোদন দেয়।

ফেসবুকে ২০১১ সালে চাকরিতে যোগদানের পর আঁখি দাস ভারত দক্ষিণ এবং মধ্য এশিয়ার প্রধান হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। তিনি পর্যবেক্ষণ করে থাকেন এই অঞ্চলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কার্যক্রম এবং সংস্থাটির ব্যবসাও। তিনিই বিভিন্ন পোস্ট ডিলিট, হাইড অথবা রিচ কমিয়ে দেয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। জানান ফেসবুকের একজন সাবেক কর্মী।

ফেসবুকের একজন সাবেক কর্মী জানান, ‘বিজেপি মুসলিমদের বিরুদ্ধে করোনা ছড়ানোর মিথ্যা অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট করে এবং মুসলিমদের নাম করে ‘লাভ জিহাদ’ ক্যাম্পেইন চালায়। এবং হিন্দু নারীদের মুসলিম যুবকরা বিয়ে করার বিষয়ে বিভিন্ন হিংসাত্মক প্রচারণা চালায়। কিন্ত আঁখি দাস এসব বিষয়ে জানলেও কোনও ব্যবস্থা নেন নি।’

আঁখি দাস নির্বাচন সংক্রান্ত সব কিছুতেই বিজেপির পক্ষে যায় এমন পোস্টকে সমর্থন এবং বেশী রিচ করার পক্ষে থাকেন। বলেন ফেসবুকের সাবেক ওই কর্মী।

গত বছরের এপ্রিলে নির্বাচনের কিছু দিন আগে ফেসবুক ঘোষণা করে যে ভারতে সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে কথা বলে এমন ফেসবুক, বিজেপির প্রধান রাজনৈতিক বিরোধী কংগ্রেস ও পাকিস্তান আর্মির ফেসবুক পেজ তারা সাময়িক বন্ধ রাখবে। কিন্তু বিজেপি ভুয়া খবর ছড়ানোর দায়ে তাদের ফেসবুক পেজ সবার আগে বন্ধ করে দেওয়ার কথা থাকলেও আঁখি দাসের হস্তক্ষেপে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় নি।

২০১৭ সালের মার্চে আঁখি দাস এক প্রবন্ধে উল্লেখ করেন ফেসবুক একটি থাম্ব‌স-আপ লোগো প্রকাশ করবে যেটি নরেন্দ্র মোদির সম্পর্কে ইতিবাচক তথ্য দেবে। এটি মোদির ওয়েবসাইটের সঙ্গে লিংক করা থাকবে।

‘আঁখি দাস তার ফেসবুকে একজন সাবেক পুলিশ অফিসারের পোস্ট শেয়ার করেন। এবং আমাকে (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফেসবুকের সাবেক কর্মী) বলেন এটি ভারত থেকে যেন দেখা না যায়, সে ব্যবস্থা করতে। ওই পোস্টে ইসলাম ধর্মের শরিয়াহ আইন মেনে চলার জন্য মানুষকে আহ্বান জানানো হয়।’

বিজেপি নেতা ও ভারতের আইন প্রণেতা রাজা সিং মুসলিম বিরোধী কার্যক্রম ফেসবুকের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেন। দাঙ্গা হাঙ্গামা লাগার মতো পোস্ট দিতেন তিনি। তার ফেসবুকে অন্তত ৪ লাখ অনুসারী রয়েছে। তিনি সেখানে ওইসব মুসলিমদের হত্যার আহ্বান জানান যারা গরু জবাই করবে। মুসলিম বিরোধী নানা পোস্টের এক পাশে নিজের ছবি আরেক পাশে তার বক্তব্য দিয়ে তিনি ফেসবুকে প্রচার করতেন। যা ফেসবুকের ভায়োলেন্স নীতির সাথে সাংঘর্ষিক।

ওই সাবেক কর্মী বলেন, ‘ফেসবুকের নীতি অনুযায়ী বিপজ্জনক ব্যক্তি এবং সংগঠক হিসেবে রাজা সিং চিহ্নিত। সে অনুযায়ী ফেসবুকে তার এবং তার দলের (বিজেপি) সব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা।’ যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি তাই করতে বাধ্য।

ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় এসব বিষয়ে যখন ফেসবুকের কাছে জানতে চায় তার পর রাজা সিংয়ের ব্লু প্রিন্ট অ্যাকাউন্টের কয়েকটি পোস্ট ডিলেট করে প্রতিষ্ঠানটি।

অন্যদিকে বিজেপির আরেক নেতা ও ভারতের আইন প্রণেতা অনন্ত কুমার হেগডেও একইভাবে বিভিন্ন ভায়োলেন্স কনটেন্ট প্রকাশ করে থাকেন। তিনি ফেসবুক ও টুইটারে সমানভাবে মুসলিমবিরোধী বক্তব্য ও মিথ্যা উস্কানিমুলক তথ্য প্রচার করে থাকেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর টুইটার অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধান শেষে টুইটার তার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়। কিন্তু একই ধরনের কাজের জন্য ফেসবুক কোনও ব্যবস্থা নেয় নি। এ বিষয়ে অনুরোধ করা হলেও অনন্ত কুমার হেগডে কোনও বক্তব্য দিতে রাজি হন নি।

ফেব্রুয়ারিতে আরেক বিজেপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য কপিল মিশরা একটি ভিডিও শেয়ার করেন ফেসবুকে। সেখানে তিনি বলেন, ‘আসামে মুসলিমরা যদি নাগরিক পঞ্চির বিরুদ্ধে তাদের আন্দোলন বন্ধ না করে। পুলিশ যদি তাদের থামাতে না পারে তাহলে আমার সমর্থকরা তাদের বিরুদ্ধ রাস্তায় নামবে। তার ওই ভিডিও মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে গোটা এশিয়ায়। এরপরই বিজেপি সমর্থকদের হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়। আহত হন কয়েক ডজন মানুষ। এটি হোয়াটস অ্যাপ এবং ফেসবুকের মাধ্যমেই ছড়ায় বলে জানায় ভারতীয় গণমাধ্যম এবং পুলিশ এই মর্মে আদালতে প্রমাণ দাখিল করে। তার ওই পোস্টের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনও ব্যবস্থা নেয় নি ফেসবুক। এ বিষয়ে প্রশ্ন করার পর ফেসবুক তারও কয়েকটি পোস্ট ডিলিট করে।

ফেসবুকের মালিকানাধীন একটি এনালাইটিক টুলের মাধ্যমে চেক করা হলে দেখা যায় মাত্র দুই মাসে এই ভিডিও আড়াই মিলিয়ন মানুষ দেখেছে। যদিও কপিল মিশরা অস্বীকার করে বলেন, ‘ আমার ভিডিওতে কোনেও রকম ভালোলেন্স ছড়ানোর সম্ভাবনা নেই।’

দ্য ওয়ালিস্ট্রিট জার্নালে (১৫ আগস্ট) প্রকাশিত বিশেষ নিবন্ধ, সময় নিউজের সৌজন্যে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension