
সিবিআই প্রধান নিয়ে আপত্তি খাড়গের
রূপসী বাংলা কলকাতা ডেস্ক:সিবিাই ডিরেক্টরের পদ ঘিরে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না৷ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই-এর নতুন ডিরেক্টর হলেন ঋষিকুমার শুক্লা। কিন্তু তাঁর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটির অন্যতম সদস্য তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে৷ ইতিমধ্যেই তিনি আপত্তির কথা জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে৷
১৯৮৩ ব্যাচের আইপিএস অফিসার ঋষিকুমার শুক্লা৷ সামলেছেন মধ্যপ্রদেশ পুলিশের প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেলের দায়িত্বও৷ তবে কী কারণে কংগ্রেস সাংসদ তথা বিরোধী দলনেতার আপত্তি সিবিআই-এর নতুন ডিরেক্টরকে নিয়ে? এদিন খাড়গে জানান সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিনীত নারাইন যে প্রধান তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে একটি প্যানেল তৈরি করতে বলেছিলেন সেগুলি হল সিনিয়রিটি, অ্যানুয়াল কনফিডেনশিয়াল রিপোর্ট এবং তদন্তের ক্ষেত্রে ও অ্যান্টি-কোরাপশন ইস্যুতে মোট অভিজ্ঞতা৷ কিন্তু অলোক ভর্মার পর সিবিআই ডিরেক্টর হিসাবে যে পাঁচ জনের নাম নিয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটিতে আলোচনা হয়েছিল তার মধ্যে সব থেকে কম অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হলেন ঋষিকুমার শুক্লা৷ অভিযোগ খাড়গের৷
জানা গিয়েছে ঋষিকুমার শুক্লা ( ১১৭ মাস ), রাজীব রাই ভটনাগর ( ১৭০ মাস ), সুদীপ লাখোটিয়া ( ১৫৫ মাস), এস জাভেদ আহমেদি ( ৩০৩ মাস ), এ পি মাহেশ্বরীর ( ১৪৭ মাস ) নাম বিবেচিত হয়েছিল পরবর্তী সিবিাই ডিরেক্টর পদের জন্য৷ কমিটির সদস্য হলেন প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা ও প্রধান বিচারপতি৷ বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, বিবেচিত পাঁচ নামের মধ্যে ঋষিকুমার শুক্লার তদন্তের অভিজ্ঞতা অন্যদের থেকে অনেকটাই কম৷ তাহলে কী করে তদন্তে সবচেয়ে বেশি মাসের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এস জাভেদ আহমেদিকে টপকে সিবিআই ডিরেক্টর হলেন ঋষিকুমার শুক্লা? তাঁর আপত্তির কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মল্লিকার্জুন খাড়গে৷
উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি অলোক বর্মাকে সরিয়ে দেওয়ার পরেও আপত্তি তুলেছিলেন খার্গে। তিনি বলেছিলেন, এই সিদ্ধান্তে তাঁর সায় ছিল না। কিন্তু বাকি দুই সদস্য নরেন্দ্র মোদী ও সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের সায় থাকায় তাঁর মতামত গুরুত্ত্ব পায়নি। এ ক্ষেত্রেও খার্গে যে অভিযোগ তুলেছেন, তা থেকে পরিষ্কার নতুন সিবিআই প্রধান হিসেবে ঋষিকুমার শক্লার নিয়োগে তাঁর সায় ছিল না। ফলে সিবিআই ঘিরে নতুন সংঘাতে বিজেপি ও কংগ্রেস৷



