
গাজায় যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর চেষ্টায় কাতার
কাতারের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় দিন পার করছে হামাস ও ইসরায়েল। মাত্র চারদিনের জন্য এ যুদ্ধবিরতি শুক্রবার থেকে কার্যকর হলেও চেষ্টা চলছে মেয়াদ আরও বাড়ানোর। এ নিয়ে কাতারের প্রতিনিধিদল ইসরায়েলে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। খবর বিবিসির।
কাতারের একটি কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির বর্ধিতকরণ ইস্যুতে ইসরায়েলে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কাতারের একটি প্রতিনিধি দল।
টানা ৪৯ দিন যুদ্ধের পর গাজায় শুক্রবার চারদিনের জন্য সাময়িক যুদ্ধবিরতি শুরু হয়,যা সোমবারই শেষ হবে।
যুদ্ধবিরতির চুক্তি অনুযায়ী, এই চারদিনে হামাস জিম্মি ইসরায়েলিদের ৫০ জনকে মুক্তি দেবে। অন্যদিকে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ১৫০ ফিলিস্তিনিকে কারাগার থেকে ছেড়ে দেবে। জিম্মি মুক্তির সংখ্যা বাড়ানো হলে সেই অনুপাতে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়বে।
কাতারের কূটনৈতিক সূত্রটি জানিয়েছে,চুক্তিতে বন্দি মুক্তি বাড়ানোর সঙ্গে আরও ৫ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর একটি বিকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, কাতারের প্রতিনিধি দলটির অধীনে থাকা একটি কার্যকরী দল উভয়পক্ষের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করছে এবং কর্মকর্তারা চুক্তিটি আরও ৫ দিন বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে।
চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির প্রথমদিন শুক্রবার বিকেলে ১৩ ইসরায়েলিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস, বিনিময়ে ৩৯ ফিলিস্তিনি বন্দিকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়েছে ইসরায়েল।
দ্বিতীয় দফায় শনিবার স্থানীয় সময় বিকেল চারটার দিকে আরও ১৪ ইসরায়েলিকে মুক্তি দেওয়ার কথা ছিল হামাসের। বদলে ৪২ ফিলিস্তিনিকে মুক্তির প্রস্তুতি নিয়েছে ইসরায়েল।
তবে শেষপর্যন্ত ১৪ জন নাকি ১৩ জনকে মুক্তি দেওয়া হবে এ নিয়ে জটিলতার কারণে আজ দ্বিতীয় দফার মুক্তি কিছুটা পিছিয়ে গেছে।
তবে যেহেতু জিম্মি ও বন্দিদের মুক্তির বিষয়টি সফল হচ্ছে, তাই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে কাতার।



