প্রধান খবরযুক্তরাষ্ট্ররাজনীতি

লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও, বিয়ন্স সমর্থন দিলেন কমলাকে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর বাকি মাত্র ৯ দিন। নির্বাচনের মাঠে প্রচারণা এখন তুঙ্গে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প দোদুল্যমান রাজ্যগুলোতে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছেন। শনিবার টেক্সাসে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিসের সমাবেশে উদ্দীপনামূলক ভাষণ দিয়েছেন বিশ্বখ্যাত গায়িকা বিয়ন্স। হ্যারিসের প্রচারণায় বিয়ন্সের উপস্থিতি কমলা শিবির আরও আশাব্যঞ্জক হয়ে উঠেছে। এছাড়া কমলাকে সমর্থন দিয়েছেন অস্কার বিজয়ী মার্কিন অভিনেতা লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও।

সমাবেশে বিয়ন্স কমলাকে আলিঙ্গন করেন এবং ভোটারদের বলেন, ‘আজ আমাদের নতুন গান গাইতে হবে।’ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কমলাকে সমর্থন ঘোষণা করে গায়িকা জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘আমি এখানে সেলিব্রিটি কিংবা রাজনীতিবিদ হিসেবে আসিনি। আমি এখানে একজন মা হিসেবে এসেছি।’ তিনি বলেন, একজন মা যেমন সব সন্তানের ব্যাপারে গভীরভাবে যত্নশীল, তেমনি আমরা এমন একটি বিশ্ব চাই, যেখানে কোনো বিভক্তি নেই, নারী তার নিয়ন্ত্রণের স্বাধীনতা ভোগ করবে। আমাদের মেয়েরা যাতে কোনো সীমাবদ্ধতা ছাড়াই বেড়ে উঠতে পারে, সেজন্য কমলাকে আমাদের প্রয়োজন এবং এ জন্য অবশ্যই তাঁকে ভোট দিতে হবে।’

কমলাকে সমর্থন দিয়েছেন অস্কার বিজয়ী মার্কিন অভিনেতা লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও। ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিও পোস্টে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতিকর প্রভাবকে ট্রাম্প অস্বীকার করে আসছেন। এ কারণে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে তিনি প্রত্যাহার করেছিলেন।

শেষ মুহূর্তে জোর প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্পও। শুক্রবার তিনি পডকাস্টার জো রোগানকে তিন ঘণ্টা সাক্ষাৎকার দেন। পরে মিশিগানে গিয়ে প্রচারণায় অংশ নেন।

দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, নির্বাচনে তারা কোনো প্রার্থীকে সমর্থন করবে না। সিদ্ধান্তটি নিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের মালিক জেফ বেজোস। সংবাদপত্রটি ২০১৬ সালের নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটন ও ২০২০ সালের নির্বাচনে জো বাইডেনকে সমর্থন দিয়েছিল।

এ ছাড়া কমলার প্রতি সমর্থনের ইচ্ছাকে মালিকপক্ষ রুদ্ধ করায় লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের সম্পাদকীয় বোর্ডের দুই সদস্য পদত্যাগ করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রবীণ সাংবাদিক রবার্ট গ্রিন ও কারিন ক্লেইন গত বৃহস্পতিবার ওই পদত্যাগের ঘোষণা দেন। রবার্ট গ্রিন এক বিবৃতিতে জানান, কমলাকে সমর্থন না করার সিদ্ধান্তে তিনি গভীরভাবে হতাশ। কারণ, সত্য ও গণতন্ত্রের প্রতি ট্রাম্প শ্রদ্ধাশীল নন। সূত্র: রয়টার্স, এপি ও সিএনবিসি।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension