প্রধান খবরভারত

বেকারত্বই মোদীর দলের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

রূপসী বাংলা কলকাতা ডেস্ক: নভেম্বর-ডিসেম্বরে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন৷ ফল প্রকাশ ১১ ডিসেম্বর৷ এই ভোটের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ৷ সকলেরই ধারণা ২০১৯-এর লোকসভার ভোটের সেমিফাইনাল এই পাঁচ রাজ্যের ভোট৷

ফলে যে সমস্ত ইস্যুগুলি এবারের ভোটে প্রাধান্য পাবে, সেগুলিই নিয়েই আলোচনা হবে লোকসভা ভোটের প্রচারেও৷ বিজেপি এই নির্বাচনে খারাপ ফল করলে, এখনকার ইস্যুগুলিকেই কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা লোকসভায় প্রচারের হাতিয়ার করবে৷

আর এই ইস্যুগুলির অন্যতম বেকারত্বের সমস্যা৷ যা এবার মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলবে মনে করা হচ্ছে৷ বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া টিভি ও সিএনএক্স মিডিয়ার একটি ওপিনিয়ন পোল সামনে এসেছে৷ সেখানে ভোটারদের সামনে যে প্রশ্নগুলি রাখা হয়েছিল, তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছিল বেকারত্ব নিয়ে৷ সমীক্ষার ফলে বিজেপির জোর ধাক্কা খাওয়ার একটা প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে৷

সমীক্ষায় দেখা হচ্ছে, এবারের ভোটে সবচেয়ে বড় ইস্যু হল বেকারত্ব৷ মধ্যপ্রদেশের ২৯ শতাংশ মানুষ মনে করেন শিবরাজ সিং চৌহানের সরকার রাজ্যে বেকারত্বের সমস্যা মেটাতে ব্যর্থ৷ অন্যদিকে উন্নয়নের ব্যর্থতাও এবার মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হতে চলেছে৷ রাজ্যের ২৭ শতাংশ মানুষ অন্তত তাই মনে করছেন৷ ১২ শতাংশের মত দুর্নীতি ইস্যু হবে ভোটে৷ ১১ শতাংশ মনে করেন পেট্রপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এই ভোটে প্রভাব ফেলবে৷

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের বক্তব্য, এগুলি শুধু মধ্যপ্রদেশের ইস্যু নয়৷ গোটা দেশের মানুষ এই সমস্যাগুলির সঙ্গে লড়াই করছেন৷ ফলে আগামী লোকসভা ভোটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও এই ইস্যুর সঙ্গে লড়াই করতে হবে৷

তাই এই পাঁচ রাজ্যে ভোটের ফল নরেন্দ্র মোদীর জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ৷ কারণ, এই ইস্যুগুলির জন্য মধ্যপ্রদেশ-সহ অন্য রাজ্যগুলিতে ধাক্কা খেলে লোকসভাতেও ফল ভুগতে হবে নরেন্দ্র মোদীকে৷

যদিও ওই সমীক্ষা বলছে, মধ্যপ্রদেশে সমস্যা থাকলে ক্ষমতা ধরে রাখবে বিজেপি৷ ১২৮ আসন নিয়ে তারাই সরকার গড়বে৷ আর বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের জনপ্রিয়তাও মোটামুটি অটুট৷ রাজ্যের ৪১ শতাংশ মানুষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁকেই পছন্দ করছেন এখনও৷

রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, এই ফ্যাক্টরটা লোকসভা ভোটেও পড়বে৷ কারণ, একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা কিন্তু এখনও অনেকটাই অটুট৷

প্রসঙ্গত, অনেক ক্ষেত্রেই সমীক্ষাকে ভুল প্রমাণ করে দেন ভোটাররা৷ এক্ষেত্রে কী হবে, সেই উত্তরের জন্য ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে৷

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension