
আন্তর্জাতিকপ্রধান খবর
স্বাগতম জননেত্রী, অপেক্ষায় সিঙ্গাপুর।
জাহাঙ্গীর বাবু, সিঙ্গাপুর প্রতিনিধি:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিঙ্গাপুর আসছেন ১১ মার্চ ২০১৮ ইং কেউ খুশী,কেউ ফুঁসছেন! আসলে খুশী দল প্রিয় সবাই,আওয়ামীলীগ, যুব লীগ,ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট নামে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের স্বীকৃত কিংবা অস্বীকৃত অঙ্গ সংগঠন,সিঙ্গাপুরে বেশ সক্রিয়। দেশ থেকে নেতা কর্মী আসলে তাদের সন্মান দেয়া,সংবর্ধনা,প্রদান কিংবা বিভিন্ন দিবস উজ্জাপন,বিভিন্ন লোকেশনে তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ,জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী করতে ব্যাক্তিগত কিংবা সম্মিলিত ভাবে নিজস্ব অর্থায়নে অনুষ্টানাদি করে থাকে। এরা সবাই শ্রমজীবি। আমার দেখা একনিষ্ঠ আওয়ামীলীগ কর্মী।
এখনো পর্যন্ত আমার জানামতে এই সব সংগঠনের নেতা কর্মীদের সাথে কোন বৈঠকের সিডিউল নেই। হয়তো কোন কোন নেতৃস্থানীয় ব্যাক্তি, যাদের সাথে সিডিউল আছে তাদের সঙ্গী হয়ে দেখা করার সুযোগ পেতে পারেন। এতে তৃনমুল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের মাঝে একটু কষ্ট কাজ করছে। তার মাঝে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা যারা আওয়ামীলীগ নয় বিভিন্ন বিরুধী দলের স্বীকৃত নেতা, তারা সোসসাইটি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের নেতাও বটে। তারা দেখা করার সুযোগ পাচ্ছেন।কিন্তু যারা দলের কর্মী তারা পাবেন না।এই নিয়ে ক্ষোভ।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্টেটাস দিচ্ছেন,আওয়ামীলীগ নয় এমন কিছু লোকের তৎপরতায় ত্যাগী সমর্থক নেতা কর্মীরা ফুঁসছেন।
উল্লেখ্য সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশীদের রাজনীতি করার সুযোগ নেই। তারপর ও এখানে বি এন পি ও আওয়ামীলীগ এর শাখা রয়েছে। খোলা মাঠে ময়দানে না হলে বিভিন্ন হল রুমে অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। আওয়ামীলীগ এর অঙ্গসংগঠন সক্রিয় বলা যায়,আর বি এন পি নিষ্ক্রিয়।জামাত দেখা না গেলেও মাঝে মাঝে বিভিন্ন মসজিদে তাদের ইসলামী অনুষ্ঠানের কথা শোনা যায়।
মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সফরের সংবাদ এবং কার্যবিবরণী বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে হচ্ছে। এখনো পর্যন্ত শ্রমিক বা শ্রমজীবি রেমিটেন্স কারিগরদের সাথে কোন সৌজন্য সাক্ষাতের সুচীর খবর পাওয়া যায়নি।
দক্ষিন এশিয়ার একমাত্র বাংলা পত্রিকা সিঙ্গাপুরে শ্রমজীবি প্রবাসীদের মুখপত্র বাংলার কন্ঠ পত্রিকায় প্রধান মন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বিস্তারিত ভাবে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে মার্চ,২০১৮ সংখ্যায়।এছাড়া ও বিশেষ ক্রোড় পত্র প্রকাশিত হবে বলে জানিয়েছেন,বাংলার কন্ঠ সম্পাদক ও সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাংলাদেশীদের সেবা প্রদান কারী সিঙ্গাপুরের নিবন্ধিত সংস্থার প্রধান এ কে এম মোহসীন।
রাশিদুল ইসলাম জুয়েল, সম্পাদক, আমাদের বাংলাদেশ, প্রধান মন্ত্রীর সফর নিয়ে লিখেছেন,
দেশে বিদেশে অবস্থানরত অনেকেই জানতে চাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিঙ্গাপুর সফর সম্পর্কে। তাই বিস্তারিত জানিয়ে দিলাম কি থাকছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিঙ্গাপুর সফরে?
সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লোংয়ের আমন্ত্রণে আগামী ১১ মার্চ চার দিনের এই সফরে রওনা হবেন শেখ হাসিনা। এই সফরে তিনি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পাশাপাশি সিঙ্গাপুরের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং সিঙ্গাপুরের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসবেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় তার সম্মানে তার নামে সিঙ্গাপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে একটি অর্কিডের নামকরণ করা হবে। দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে ছয়টি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও সিঙ্গাপুরের ইন্টারন্যাশনাল এন্টারপ্রাইজের মধ্যে একটি সমঝোতা, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক, আকাশ পথে যোগাযোগ, ডিজিটাল গভার্নমেন্ট ট্রান্সফর্মেশন বিষয়ে সমঝোতা স্মারক এবং এফবিসিসিআই ও এমসিসিআইয়ের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের ম্যানুফ্যাকচারিং ফেডারেশনের দুটি সমঝোতা স্মারক রয়েছে এর মধ্যে।
সিঙ্গাপুর বর্তমানে আসিয়ানের নেতৃত্বে রয়েছে। ফলে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর রাজনৈতিক দিক দিয়েও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে সিঙ্গাপুর সরকারের সহযোগিতা চাইবেন। চার দিনের সফর শেষে শেখ হাসিনার ১৪ মার্চ দেশে ফেরার কথা রয়েছে।



