
চলচ্চিত্র বিনিময় যৌক্তিকই মনে করেন অপর্ণা সেন
চৌদ্দ বছর বয়সে অভিনয় শুরু করলেও চার বছর পড়াশোনার জন্য বিরতি দিয়ে পুনরায় চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন তিনি। এসময় ‘অপরিচিত’, ‘বাক্স বদল’, ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’ প্রভৃতি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তবে বরাবরই চাইতেন ব্যতিক্রম চলচ্চিত্রে কাজ করতে। মন মতো চরিত্র খুঁজে পাচ্ছিলেন না বলে অভিনয় থেকে খানিকটা বিরতিও নেন। আর তখনই লিখতে শুরু করলেন তার প্রথম ছবির গল্প, ‘৩৬ চৌরঙ্গী লেন’।
তারপরের গল্প সব দারুণভাবে বদলে যাওয়ার। অভিনেত্রী পরিচয়ের অপর্ণা সেনের খ্যাতিমান চলচ্চিত্রকার হয়ে ওঠার। অপর্ণা স্মৃতিচারণ করছিলেন সে কথা, ‘প্রথম ছবির গল্প লেখার সময় মোটেও ভাবিনি, এ গল্প থেকেই নিজের প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণ হবে। প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় যখন গল্প দেখে বললেন, ‘ইট হ্যাজ লটস অব হার্ট, তুমি এই গল্প নিয়ে ছবি নির্মাণ কেন করছো না?’ তখনই প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণ করার ভাবনা মাথায় আনা হয়।’
এই চলচ্চিত্র বানিয়েই বাজিমাত করেন অপর্ণা। অভিষেকে সিনেমার জন্যই জিতে নেন পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
সোমবার (১৫ জানুয়ারি) ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের চতুর্থ দিনে কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অপর্ণা। এর ফাঁকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান এ নির্মাতার সঙ্গে কথা হয় বাংলানিউজের।
উৎসব সম্পর্কে ‘পরমা’ নির্মাতা বলেন, ‘বিশ্বের অনেক বড় বড় চলচ্চিত্র উৎসবে আমি গিয়েছি, কিন্তু এই উৎসবে এসে যে উষ্ণতা আমি পেয়েছি, তেমনটি আর কোথাও পাইনি। উৎসবে আমি আমার পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘সোনাটা’ নিয়ে এসেছি প্রদর্শনের জন্য। উৎসব পরিচালকদের প্রজেকশনের দিকটা আরেকটু খেয়াল করা উচিত। প্রত্যেকটা চলচ্চিত্রই তো একজন পরিচালকের কাছে সন্তানতুল্য; সেক্ষেত্রে তিনি নিশ্চয়ই চাইবেন তার ছবি প্রদর্শনের সময় যেন সাউন্ড, ভিডিও কোয়ালিটি ঠিক থাকে।’



