
ব্রুকলিন সাবওয়েতে অফ ডিউটি এমটিএ কর্মী আক্রমণের শিকার
জাহান আরা দোলন, রূপসী বাংলা ডেস্ক: বুধবার রাতে ব্রুকলিনের সাবওয়েতে চলাচলের সময় একজন অফ ডিউটি এমটিএ(মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্টেশন অথরিটি) কর্মচারী ছুরিকাঘাত করা হয়।
৫২ বছরের ভিক্টিম এমটিএ’র একজন কন্ডাক্টর। অফ ডিউটির কারণে তিনি তখন ইউনিফর্মে ছিলেন না। বেলা ১১:২০ এর দিকে তিনি ট্রেনে ছিলেন। ফুলটন এবং ক্রিসেন্ট স্ট্রিটের কাছে।
আততায়ী ট্রেনের পাশ দিয়ে যাতায়াত কালে কন্ডাক্টর জেরার্ড সাইকসকে কমলা রঙের বাক্স কাটার সরঞ্জাম দিয়ে আহত করে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির কানের পেছন থেকে বাম চোখ পর্যন্ত লম্বা ও সরু ক্ষত তৈরি হয়।
তাকে পরবর্তীতে জ্যামাইকা মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে গিয়ে জরুরি ভিত্তিতে দুটি অস্ত্রোপচার করা হয়।
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিন সন্তানের বাবা সাইকস’র অবস্থা অজ্ঞান এবং গুরুতর বলে জানা গেছে।
আততায়ী ক্রিসেন্ট স্ট্রিট স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে পালিয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত কোন গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।
বুধবারের এই ঘটনাটি সাবওয়েতে নিয়মিতভাবে ঘটতে থাকা হিংস্র সংঘর্ষের একটি।
বৃহস্পতিবারে কমপক্ষে আরও দুটি ঘটনার খবর পাওয়া গেছে: ব্রঙ্কসের 2ট্রেন (2সেভেন্থ এভিনিউ এক্সপ্রেস) ট্রেনের একজন অপারেটর ঘুষি খেয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে ছিলেস এবং হুইলচেয়ার আরোহিত একজন রাইডার যেকোনো ভাবে বারক্লেস অ্যাভিনিউ স্টেশনের একটি সাবওয়ে ট্রেনের নিচে পড়ে মারা যান।
গত বছর এপ্রিলে যেখানে যাত্রীসংখ্যা দিনে পঞ্চাশ লক্ষ ছিল, সেখানে এখন যাত্রী সংখ্যা দিনে দশ লক্ষেরও নিচে চলে গেছে। ফলে, প্রচুর রাইডার থাকা সত্ত্বেও সাবওয়ের অপরাধগুলো, বিশেষত সশস্ত্র আক্রমণ, ক্রমশ বেড়েই চলেছে।
গত কয়েক মাস ধরে ট্রেনের রাইডারদের আক্রমণ করা হচ্ছে এবং ট্রানজিট শ্রমিকদের হয়রানি, লাঞ্ছিত এবং আক্রমণ করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবারে মেয়র বিল ডি ব্লেসিওকে সাবওয়ের নিরাপত্তার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, এনওয়াইপিডি (নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট) দুর্দান্ত কাজ করছে এবং সাবওয়েতে সামগ্রিক অপরাধ মোটামুটি ভাবে হ্রাস পেয়েছে।
ডি ব্লেসিও বলেছেন, ‘গভর্নরের বক্তব্য এবং এমটিএ নেতৃত্বের বক্তব্য অনুযায়ী এনওয়াইপিডি-র যেসব পুরুষ এবং নারী যারা প্রকৃত অর্থে কাজটি করেছেন,কিন্তু তাদের কাজকে অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে, আমি তাদের হতাশার অংশীদার। নিউইয়র্কের একজন বাসিন্দা সারা জীবনই সাবওয়েতে চলাচল করেছেন, আমিও সাবওয়েতে চলাচল করতে দ্বিধা করব না।’❐



