
নিউইয়র্কে দল-নিরপেক্ষ কর্মসূচিতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের প্রশংসা মার্কিন রাজনীতিকদের
নিউ ইয়র্ক রাজ্য ও সিটি পার্লামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা দল-নিরপেক্ষ আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিস্মরণীয় নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন।
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নিউ ইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর ব্যানারে ‘দোয়া-মাহফিল ও তবারক বিতরণ’ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশি বাণিজ্যিক এলাকায় খাবার বিতরণ করা হয়।
বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়া, বস্টন, ওয়াশিংটন ডিসি, মিশিগান, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, কানেকটিকাট, আরিজোনা, শিকাগো প্রভৃতি স্থানে শতাধিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর এই আয়োজন। এতে দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণপেশার প্রবাসী বাঙালীরা ছাড়াও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি অন্য দেশের নাগরিকরাও উপস্থিত হয়েছিলেন।
নিউ ইয়র্ক স্টেট পার্লামেন্টের অ্যাসেম্বলিম্যান জেসিকা গঞ্জালেজ তার বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর আত্মার শান্তি কামনা করে বললেন, বাঙালি জাতিই শুধু নয়, গোটাবিশ্বের অবহেলিত-বঞ্চিত মানুষের মুক্তির দিশারী ছিলেন তিনি।
সিটি কাউন্সিলের প্রভাবশালী সদস্য শেখর কৃষ্ণান বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে বলেন, একটি জাতিকে স্বাধীনতার প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপোসহীন একজন নেতা। দীর্ঘ ত্যাগের সুমহান ইতিহাস রচনা করেছেন বঙ্গবন্ধু। যতদিন এ বিশ্বে বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির অস্তিত্ব থাকবে ততদিনই বঙ্গবন্ধুর প্রতি মানুষ শ্রদ্ধায় অবনত হবে।
সিটি মেয়রের এশিয়ান অ্যাডভাইজার ফাহাদ সোলায়মান বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ দিয়ে গেছেন। এজন্যে চিরদিন তাকে শ্রদ্ধা জানাবো। বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্যে আরও অনেকের অবদান রয়েছে, তাদেরও সম্মান জানাতে হবে।
এবারের আয়োজনে নেতৃত্ব দেন ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র সভাপতি সাকিল মিয়া, সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলম নমী, আহ্বায়ক মীর নিজামুল হক, সদস্য-সচিব সোহেল গাজী। হোস্ট কমিটির পক্ষে আরও ছিলেন চেয়ারম্যান মামুন মিয়াজি, চেয়ারপার্সন বিপ্লব সাহা এবং কো-চেয়ারপার্সন সাখাওয়াত বিশ্বাস। পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন জেবিবি-এর সভাপতি হারুন ভূইয়া এবং সেক্রেটারি ফাহাদ সোলায়মান, মহসিন ননী, রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টর নুরুল আজিম, জেড আর চৌধুরী লিটু, আহসান হাবিব, যুগ্ম সদস্য-সচিব হাজী এনাম প্রমুখ।



