
আফগানিস্তানে বন্ধ ৩০ শতাংশ বইয়ের দোকান
আফগানিস্তানে ক্রমশ সংকুচিত হয়ে আসছে বইয়ের বাজার। বর্তমানে দেশটির ৩০ শতাংশ বইয়ের দোকান বন্ধ হয়ে গেছে। সম্প্রতি টোলো নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানে বই পড়ার সংস্কৃতি ম্লান হয়ে যাচ্ছে। বই বিক্রেতাদের সমস্যা মূল্যায়ন কমিশন বলছে, বইয়ের বাজার ভালো নয়। ফলে বিক্রেতারা তাদের ব্যবসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
কমিশনের সদস্য আবদুল ওয়াদুদ মুখতারজাদা বলেছেন, বিক্রেতারা সরকারের উচ্চ কর নিয়ে অভিযোগ করছেন। বিক্রি কমে যাওয়ায় এই কর পরিশোধ করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, আমরা দিনে ৫০০টিরও বেশি বই বিক্রি করতাম। আমাদের ২০০ জন গ্রন্থাগারিক ছিলেন। তবে এখন এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
শরিফুল্লাহ নামের এক বই বিক্রেতা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নেই। এটি বইয়ের ব্যবসাকে প্রভাবিত করেছে।
মনসুর কাজিজাদা নামে অপর এক বই বিক্রেতা বলেন, বাজার নিম্নমুখী। এটা সবাই জানে আফগানদের এখন বই কেনার সামর্থ্য নেই। তিনি বিভিন্ন ট্যাক্স সম্পর্কেও কথা বলেছিলেন যা বইবিক্রেতাদের দিতে হয়।
দেশটির তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের বইয়ের বাজারকে সহায়তা করতে গ্রন্থাগারগুলোর কর মওকুফ করার চেষ্টা চলছে। তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপমন্ত্রী মহাজন ফারাহি বলেন, আমরা বইয়ের ওপর কর মওকুফ করার চেষ্টা করছি এবং বিভিন্ন প্রদর্শনীর আয়োজন করেছি।
প্রসঙ্গত, গত দুই বছর ধরে আফগানিস্তানে বই ব্যবসায় স্থবিরতা নেমেছে। রাজধানী ও আশপাশের অঞ্চলের বই বিক্রেতাদের বিষয়টি উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।



