
গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রুখে বাসন্তীতে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন তৃণমূলের
রূপসী বাংলা কলকাতা ডেস্ক: দীর্ঘদিন শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত বাসন্তী ব্লকের সর্বত্র। একাধিক মৃত্যু রক্তপাত হয়েছে বাসন্তী ব্লকের বিভিন্ন প্রান্তে।
সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে বিরোধীরা যখন পঞ্চায়েত বোর্ড দখলের দিবাস্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন। সেই স্বপ্নে জল ঢেলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রুখে এককভাবে শাসকদলের দুটি গোষ্ঠী একত্রিত হয়ে বিনা রক্তপাতে বাসন্তী ব্লকের ফুলমালঞ্চ গ্রাম পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করলো শাসক দল।
উল্লেখ্য ফুলমালঞ্চ গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট পঞ্চায়েত সদস্য সংখ্যা ২৩। নির্বাচনে তৃণমূলের মাদার তৃণমূল কংগ্রেস গোষ্ঠী পায় ৬টি আসন। যুব তৃণমূল ৮, নির্দল ৭, আরএসপি ১, বিজেপি ১টি করে আসন পায়।
বৃহস্পতিবার ফুলমালঞ্চ গ্রাম পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন হলে মাদার তৃণমূল, যুব তৃণমূল কংগ্রেস একত্রিত হলে মোট ১৪ টি আসন নিজেদের পক্ষে পেয়ে যায়। বিরোধীদের পক্ষে যায় ৯ জন সদস্য। শাসক দল এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে প্রধান নির্বাচিত হন ইউসুফ আনসারী(মোল্লা),উপপ্রধান নির্বাচিত হন শংকর সরদার। শান্ত পরিবেশে গ্রাম পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন হওয়ায় আগামী দিনে এলাকায় শান্তি ফিরবে বলে আশাবাদী এলাকার সাধারণ মানুষজন।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার বাসন্তীর ঝড়খালি গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন হলে সেখানেও শাসকদল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করে পুনরায় ক্ষমতার রাশ নিজেদের হাতে রাখলো। প্রধান পদটি মহিলা সংরক্ষিত হওয়ায় প্রধান নির্বাচিত হন গুরুদাসী মণ্ডল ,এবং উপপ্রধান নির্বাচিত হন প্রাক্তন প্রধান দিলীপ মণ্ডল। উল্লেখ্য ঝড়খালি গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট সদস্য সংখ্যা ১৭,তৃণমূল ১৬ টি,নির্দল ১টি। এদিন ঝড়খালি গ্রাম পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের সময় নির্দলের জয়ী সদস্য তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় বিরোধীদের কোন অস্তিত্ব রইলো না।



