
টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবার ইনিংস জয় বাংলাদেশের
রূপসী বাংলা স্পোর্টস ডেস্ক : মাস পাঁচেক আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস সহায়ক পিচে ০-২ ব্যবধানে সিরিজ হারতে হয়েছিল তাদের। কয়েক মাসের ব্যবধানে ঘরের মাঠে স্পিনিং ট্র্যাকে ক্যারিবিয়ানদের নাস্তানাবুদ করলেন শাকিবরা। চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টে এসেছিল ৬৪ রানে জয়। ঢাকায় দ্বিতীয় টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ইনিংস ও ১৮৪ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবার প্রতিপক্ষকে ফলো-অন করিয়ে ইনিংস জয় তুলে নিল বঙ্গব্রিগেড। সেইসঙ্গে দুই টেস্টের সিরিজে প্রতিপক্ষকে ক্লিন স্যুইপ করল তারা।
বাংলাদেশ স্পিনারদের বিষাক্ত ছোবলে এদিন কার্যত বাক্সবন্দী হয়ে রইলেন উইন্ডিজ ব্যাটসম্যানরা। ম্যাচে মেহিদি হাসানের ১১৭ রানে ১২ উইকেট সেরা বোলিং ফিগার হয়ে রইল বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে। পাশাপাশি একইদিনে নয় উইকেট নিয়ে প্রথম বাংলাদেশ বোলার হিসেবে নজির গড়লেন মেহিদি। দুই টেস্ট মিলিয়ে ক্যারিবিয়ানদের ৪০টি উইকেট নিলেন বাংলাদেশের স্পিনাররাই।

মাহমুদুল্লাহর দুরন্ত ১৩৬ একইসঙ্গে তিন ব্যাটসম্যানের অর্ধশতরানে ভর করে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৫০৮ রানে বিরাট স্কোর খাঁড়া করে বাংলাদেশ। এরপরই ম্যাচের যাবতীয় দায়িত্ব নিয়ে নেন বাংলাদেশি স্পিনাররা। কেরিয়ারের সেরা বোলিং (৫৮ রানে ৭) করে প্রথম ইনিংসে উইন্ডিজকে কার্যত একাই ধসিয়ে দেন তরুণ প্রতিভা মেহিদি। ৭৫ রানে ৫ উইকেট নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় উইন্ডিজের প্রথম ইনিংস।

৩৯৭ রানে এগিয়ে থেকে তৃতীয় দিন প্রতিপক্ষকে ফলো-অন করাতে কোনও কার্পণ্য করেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ফের মেহিদি স্পিন ম্যাজিক। প্রথম ইনিংসে সঙ্গী হিসেবে পেয়েছিলেন অধিনায়ক শাকিবকে। আর দ্বিতীয় ইনিংসে মেহদির সঙ্গী হলেন তাইজুল ইসলাম। প্রথম ইনিংসে ৩৯ রানের পর বাংলাদেশ স্পিন অ্যাটাকের বিরুদ্ধে একমাত্র লড়লেন সিমরন হেটমেয়ার। শতরান থেকে সাত রান দূরে দাঁড়িয়ে মেহিদির বলেই প্যাভিলিয়নে ফিরলেন তিনি। প্রথম ওভারে অধিনায়কের ব্রেক থ্রুর পর মেহিদি-তাইজুল যুগলবন্দীতে ২১৩ রানে শেষ হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংস।



