
দুই জোটই বিকল্প পথ খোলা রেখেছে
রূপসী বাংলা ঢাকা ডেস্ক রিপোর্ট: একেবারে শেষ পর্যায়ে এসেও প্রার্থী মনোনয়নে কৌশলী অবস্থানে রয়েছে উভয় জোট। ক্ষমাতাসীন মহাজোট এবং ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট একে অপরের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখছে এবং সম্ভাব্য প্রতিকূল পরিস্থিতি এড়াতে উভয়েই বিকল্প পথটি খোলা রেখেছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি গতকাল ২৬ নভেম্বর সোমবার চারটি বিভাগের ১৫০ আসনের প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছে। এক্ষেত্রে দলটি অধিকাংশ আসনে একাধিক প্রার্থীকে চিঠি দিয়েছে। মামলা বা অন্য কোনও কারণে একজনের প্রার্থীতা বাতিল হলে যেন অন্যজন বিকল্প হিসেবে প্রতিদ্বিন্দ্বতা করতে পারেন। অর্থাৎ মহাজোটের প্রার্থীরা যাতে কোনমতেই ফাঁকা মাঠে গোল দিতে না পারে সেই চিন্তা থেকেই তারা এটা করেছেন।
অন্যদিকে ক্ষমতাসীন মহাজোট গত পরশু ২৫ নভেম্বর রোববার ২৩০ আসনের প্রার্থীদের চিঠি দিয়েছে। আজ সোমবার বাকি আসনগুলোর প্রার্থীদের চিঠি দেওয়ার কথা থাকলেও কৌশল গত কারণে তা দেওয়া হয় নি। বিষয়টি জানিয়েছেন খোদ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
অন্যদিকে মহাজোটের গুরুত্বপূর্ণ শরিক জাতীয় পার্টিও গতকাল সোমবার বিকেল ৩টায় প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়ার ঘোষণা দিলেও শেষ মুহূর্তে সেই তালিকা আর প্রকাশ করা হয় নি। দলের মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার জানান, কৌশলগত কারণে তালিকা প্রকাশে কয়েকদিন দেরি হবে। গতকাল সোমবার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপাসনের কার্যালয়ে মনোনয়নের চিঠি বিলি শুরু করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কারাবন্দি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বগুড়া ৬ ও ৭ আসনের চিঠি হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে মনোনয়নপত্র বিলি শুরু করা হয়। খালেদা জিয়ার চিঠি গ্রহণ করেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম।
বিএনপির দলীয় মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন:
খালেদা জিয়া (বগুড়া ৬ ও ৭), মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ঠাকুরগাঁও-১), মওদুদ আহমদ (নোয়াখালী-৫), মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দীন (ভোলা-৩), নাজিম উদ্দীন আলম (ভোলা-৪), সেলিনা রহমান (বরিশাল-৩), রাজিব আহসান ও মেজবাহ উদ্দীন (বরিশাল-৪), মজিবুর রহমান সারোয়ার (বরিশাল-৫), ব্যারিস্টার আমিনুল হক (রাজশাহী-১) মিজানুর রহমান মিনু (রাজশাহী-২), শফিকুল হক মিলন (রাজশাহী-৩), আবু হেনা (রাজশাহী -৪), এবিএমমোশারফ হোসেন (পটুয়াখালী -৪), মোকাররম হোসেন সুজন (রংপুর-১), ওহিদুজ্জামান মামুন ও মোহাম্মদ আলী (রংপুর-২), মোজাফ্ফর আহমেদ ও রিতা রহমান (রংপুর-৩) সোলেমান আলম ও ডা. মমতাজ (রংপুর-৫), এমদাদুল হক ভরসা (রংপুর-৪), সাইফুল ইসলাম (রংপুর-৬), মনজুরুল ইসলাম ও মামুনুর রশীদ (দিনাজপুর-১), সাদিক রিয়াজ পিনাক (দিনাজপুর-২), লুৎফুর রহমান মিন্টু ও আবুল বাশার (ঢাকা-৬), নাদিম মোস্তফা (রাজশাহী ৫), আবু সাঈদ চান (রাজশাহী-৬),আলতাফ হোসেন চৌধুরী (পটুয়াখালী-১), শহিদুল আলম ও মনির হোসেন (পটুয়াখালী-২), হাসান মামুন (পটুয়াখালী-৩), সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ও মোফাজ্জল হোসেন দুলাল (দিনাজপুর-৩), হাফিজুর রহমান ও আক্তারুজ্জামান মিয়া (দিনাজপুর-৪), এজেডএম রেজওয়ানুল হক ও জাকারিয়া বাচ্চু (দিনাজপুর-৫), লুৎফর রহমান মিন্টু ও শাহিনুর ইসলাম মণ্ডল (দিনাজপুর-৬), জয়নাল আবদীন ফারুক (নোয়াখালী-২), আমান উল্লাহ আমান (ঢাকা-২ ), গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ঢাকা-৩),সালাউদ্দীন আহমেদ (ঢাকা-৪), মির্জা আব্বাস (ঢাকা-৮), হাবিবুন নবী খান সোহেল (ঢাকা-৯), আব্দুল আউয়াল মিন্টু (ফেনী-৩), খায়রুল কবির (নরসিংদী-১),সানাউল্লা মিয়া (নরসিংদী-৩), শাহজাহান ওমর (ঝালকাঠি-১), ফজলুল আজিম (নোয়াখালী-৬), নুরুল ইসলাম মনি (বরগুনা-১), জহির উদ্দিন স্বপন ও আব্দুস সোবহান (বরিশাল-১), মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু ও শহীদুল হক জামাল (বরিশাল-২), অ্যাড. জয়নাল আবেদীন ও রাজীব আহসান (বরিশাল-৩),মজিবুর রহমান সরোয়ার ও এবায়দুল হক চান (বরিশাল ৫), আবুল হোসেন খান ও অধ্যক্ষ রশীদ খান (বরিশাল ৬), শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস (পাবনা-৫), মনজুরুল ইসলাম ও মামুনুর রশীদ (দিনাজপুর-১), হাফিজ উদ্দিন ও আক্তারুজ্জামান মিয়া (দিনাজপুর-৪), রেজোয়ানুল হক বাচ্চু (দিনাজপুর-৫), লুতফর রহমান শাহীন (দিনাজপুর-৬), রেদোয়ান আহমেদ (কুমিল্লা-৭), মোর্শেদ খান (চট্টগ্রাম-৮), শাহাদাৎ হোসেন সেলিম-এলডিপি (লক্ষ্মীপুর-১), আবুল খায়ের ভূইয়া (লক্ষ্মীপুর-২),শহীদ উদ্দীন চৌধুরী অ্যানি (লক্ষ্মীপুর-৩), আশরাফ উদ্দীন লিজান (লক্ষ্মীপুর-৪), মাহবুব উদ্দীন খোকন (নোয়াখালী-১), আমিনুল হক ও আয়নাল হক (রাজশাহী-১),শফিকুল হক মিলন ও নাদিম মোস্তফা (রাজশাহী-৫), আবু হেনা ও আবদুল গফুর (রাজশাহী-৪), একেএম মতিউর রহমান মিন্টু (রাজশাহী-৩), মিজানুর রহমান মিনু ও জাহিদ হাসান (রাজশাহী-২), নুরুজ্জামান খান মানিক (রাজশাহী-৬), আবুল হাসনাত কায়কোবাদ (কুড়িগ্রাম-১), আবু বকর সিদ্দিক (কুড়িগ্রাম-২), তাজভিরুল ইসলাম ও আবদুল খালেক (কুড়িগ্রাম-৩), আজিজুর রহমান ও মোখলেসুর রহমান (কুড়িগ্রাম-৪), শামসুজ্জামান খান ও খাজা নজিবুল্লাহ চৌধুরী (নওগাঁ-২), রবিউল আলম বুলেট ও পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী (নওগাঁ-৩), ডা. সালেক চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান, মাসুদ রানা (নওগাঁ-১), শামসুল আলম প্রারামানিক ও ডা. একরাম হোসেন (নওগাঁ-৪), জাহিদুল ইসলাম ও নজমুল হক সনি (নওগাঁ-৫), আলমগীর কবির ও শেখ রেজাউল করিম (নওগাঁ-৬), হারুনুর রশীদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩),আনারুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), শাহজাহান মিয়া ও বেলালী বাকী ইদ্রিসি (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১)।
এর আগে সোমবার দুপুরে জানানো হয়, বিকেল ৪টায় বরিশাল, সন্ধ্যা ৬টায় রংপুর এবং রাত ৮টায় রাজশাহী বিভাগের প্রার্থীদের মনোনয়নের চিঠি আনুষ্ঠানিকভাবে দেয়া হয়। ঢাকাসহ বাকি বিভাগের প্রার্থীদের চিঠি দেওয়া হবে আজ ২৭ নভেম্বর মঙ্গলবার। বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় গুলশানের কূটনৈতিক জোনে থাকায় ভীড় এড়াতে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশিরভাগ আসনেই দুজনকে দলের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়।এতে একজনের মনোনয়ন বাতিল হলেও, বিকল্প প্রার্থী থাকবে। এবার ২৪০ আসনে প্রার্থী দেবে বিএনপি। বাকি ৬০ আসন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটকে (সম্প্রসারিত ২৩ দল) দেওয়া হবে। এর মধ্যে ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলো পাচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ আসন। আর
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দলগুলো পাচ্ছে ১৮ থেকে ২০ আসন। ২০ দলীয় জোটে বিএনপিসহ দল আছে ২৩টি। আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে বিএনপি ছাড়া দল আছে চারটি।
প্রার্থীজটের কারণে জটিলতা তৈরি হওয়া আসনগুলোর ব্যাপারে আগামী ৮ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আগেই চূড়ান্ত করা হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে থাকায় এবং দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা দন্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমান লন্ডনে আবস্থান করায় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মনোনয়নের চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।
এ সংক্রান্ত দলের সিদ্ধান্তের একটি চিঠি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের স্বাক্ষরে প্রতিটি জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।অন্যদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পরশু ২৫ নভেম্বর রোববার কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ২৩০ আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নের চিঠি দিয়েছে। দলীয় সূত্র জানিয়েছে,২৩০ আসনের বিপরীতে ২৪৮ জনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে বাদ পড়েছেন বর্তমান সংসদের ৪৫ জন সদস্য। এর পাশাপাশি মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থী। যুক্ত হয়েছে বেশ কয়েকজন নতুন মুখ।
আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন:
শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩. রংপুর-৬ ), আবুল কালাম আহসানুল হক ডিউক চৌধুরী (রংপুর-২), টিপু মুনশি (রংপুর-৪), এইচএন আশিকুর রহমান (রংপুর-৫), মনোরঞ্জন শীল গোপাল (দিনাজপুর-১), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), ইকবালুর রহিম (দিনাজপুর-৩),আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪), অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (দিনাজপুর-৫), মাহবুব আরা গিনি (গাইবান্ধা-২), ডা. ইউনুস আলী সরকার (গাইবান্ধা-৩), মো. ফজলে রাব্বী মিয়া (গাইবান্ধা-৫), মজহারুল হক প্রধান (পঞ্চগড়-১), নূরুল ইসলাম সুজন (পঞ্চগড়-২), রমেশচন্দ্র সেন (ঠাকুরগাঁও-১), দবিরুল ইসলাম (ঠাকুরগাঁও-২), আসাদুজ্জামান নূর (নীলফামারী-২), মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাট-১), নুরুজ্জামান আহমেদ (লালমনিরহাট-২), জাকির হোসেন (কুড়িগ্রাম-৪)। ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), আয়েন উদ্দিন (রাজশাহী-৩), প্রকৌশলী এনামুল হক (রাজশাহী-৪), শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬), শহিদুল ইসলাম বকুল (নাটোর-১), শফিকুল ইসলাম শিমুল (নাটোর-২), জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), মো. আব্দুল কুদ্দুস (নাটোর-৪), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১),হাবিবুর রহমান (বগুড়া-৫), মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), ডা. হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), ড. আব্দুল আজিজ (সিরাজগঞ্জ-৩), তানভীর ইমাম (সিরাজগঞ্জ-৪),আবদুল মজিদ মণ্ডল (সিরাজগঞ্জ-৫), হাসিবুর রহমান স্বপন (সিরাজগঞ্জ-৬), শামসুল হক টুকু (পাবনা-১), আহমেদ ফিরোজ কবির (পাবনা-২), মকবুল হোসেন(পাবনা-৩), শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (পাবনা-৪), গোলাম ফারুক প্রিন্স (পাবনা-৫), ফরহাদ হোসেন দোদুল (মেহেরপুর-১), শহীদুজ্জামান খোকন (মেহেরপুর-২),সাধনচন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), শহীদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক (নওগাঁ-৪), ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন (নওগাঁ-৫),ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬), শামসুল আলম দুদু (জয়পুরহাট-১), আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (জয়পুরহাট-২) মনোনয়ন পেয়েছেন। সালমান এফ রহমান (ঢাকা-১), কামরুল ইসলাম (ঢাকা-২), নসরুল হামিদ বিপু (ঢাকা-৩), মনোয়ার হোসেন মনু (ঢাকা-৫), হাজী মোহাম্মদ সেলিম (ঢাকা-৭), সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯), শেখ ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০), এ কে এম রহমতুল্লাহ (ঢাকা-১১), আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল (ঢাকা-১২), সাদেক খান (ঢাকা-১৩), আসলামুল হক আসলাম (ঢাকা-১৪), কামাল আহমেদ মজুমদার (ঢাকা-১৫), ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ (ঢাকা-১৬), অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন (ঢাকা-১৮), ডা. এনামুর রহমান (ঢাকা-১৯), নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন (মাদারীপুর-১), শাজাহান খান (মাদারীপুর-২), ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ (মাদারীপুর-৩), গোলাম দস্তগীর গাজী (নারায়ণগঞ্জ-১), নজরুল ইসলাম বাবু, (নারায়ণগঞ্জ-২), এ কে এম শামীম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৪)। কাজী কেরামত আলী (রাজবাড়ী-১), জিল্লুল হাকিম (রাজবাড়ী-২),ড. আবদুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), আতাউর রহমান খান (টাঙ্গাইল-৩), হাসান ইমাম খান (টাঙ্গাইল-৪), ছানোয়ার হোসেন (টাঙ্গাইল-৫), আহসানুল ইসলাম (টাঙ্গাইল-৬), একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭), অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (টাঙ্গাইল-৮), ইকবাল হোসেন অপু (শরীয়তপুর-১), এ কে এম এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২) ও নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩)। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও মশিউর রহমান হুমায়ুন (কিশোরগঞ্জ-১), নূর মোহাম্মদ (কিশোরগঞ্জ-২), রেজওয়ান আহম্মেদ তৌফিক (কিশোরগঞ্জ-৪), আফজাল হোসেন (কিশোরগঞ্জ-৫), নাজমুল হাসান পাপন (কিশোরগঞ্জ-৬), আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর-৫), লে. কর্নেল (অব.) নজরুল ইসলাম হিরু (নরসিংদী-১),জহিরুল হক ভূঁইয়া (নরসিংদী-৩), অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (নরসিংদী-৪), সাবেক সচিব মঞ্জুরুল ইসলাম (ফরিদপুর-১), ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), কাজী জাফরউল্লাহ (ফরিদপুর-৪), নাঈমুর রহমান দুর্জয় (মানিকগঞ্জ-১), মমতাজ বেগম (মানিকগঞ্জ-২), কাজী সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (মুন্সীগঞ্জ-২), মৃণাল কান্তি দাস (মুন্সিগঞ্জ-৩) দলের চিঠি পেয়েছেন।
সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), বীরেন শিকদার (মাগুরা-২), পঞ্চানন বিশ্বাস (খুলনা-১), শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল (খুলনা-২), মন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা-৩), আবদুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), আকতারুজ্জামান বাবু (খুলনা-৬), শেখ আফিল উদ্দিন (যশোর-১), মেজর জেনারেল (অব.) নাসির উদ্দিন (যশোর-২), কাজী নাবিল আহমেদ (যশোর-৩), রণজিৎ কুমার রায় (যশোর-৪), স্বপন ভট্টাচার্য (যশোর-৫), ইসমাত আরা সাদেক (যশোর-৬), মাশরাফি বিন মর্তুজা (নড়াইল-২), আ ফ ম রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), এসএম জগলুল হায়দার (সাতক্ষীরা-৪), সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১), আলী আজগর টগর (চুয়াডাঙ্গা-২), শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১), শেখ সারহান নাসের তন্ময় (বাগেরহাট-২), হাবিবুন্নাহার (বাগেরহাট-৩), মো. মোজাম্মেল হোসেন (বাগেরহাট-৪),মাহবুব-উল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), আবদুর রউফ (কুষ্টিয়া-৪)। আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ (বরিশাল-১), তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস (বরিশাল-২), পঙ্কজ দেবনাথ (বরিশাল-৪), জেবুন্নেসা আফরোজ ও লে. কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক (বরিশাল-৫), আমির হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২), ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (বরগুনা-১), শওকত হাচানুর রহমান রিমন (বরগুনা-২), খন্দকার শামসুল হক (পটুয়াখালী-২), আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন ও শাহজাদা সাজু (পটুয়াখালী-৩), তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-১), আলী আজম (ভোলা-২), নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (ভোলা-৩), আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (ভোলা-৪), (পটুয়াখালী-৩ ), শ ম রেজাউল করিম (পিরোজপুর-১)।
ড. এ কে আবদুল মোমেন (সিলেট-১), মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী কয়েস (সিলেট-৩), ইমরান আহমদ (সিলেট-৪), নূরুল ইসলাম নাহিদ (সিলেট-৬), ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (সুনামগঞ্জ-১), জয়া সেনগুপ্তা (সুনামগঞ্জ-২), এমএ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), মুহিবুর রহমান মানিক (সুনামগঞ্জ-৫), ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন (হবিগঞ্জ-৪), শাহাব উদ্দিন (মৌলভীবাজার-১)। আবুল কালাম আজাদ (জামালপুর-১), মির্জা আজম (জামালপুর-৩), ডা. মুরাদ হাসান (জামালপুর-৪),রেজাউল করিম হিরা ও ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর (জামালপুর-৫), আতিউর রহমান আতিক (শেরপুর-১), মতিয়া চৌধুরী (শেরপুর-২), এ কে এম ফজলুল হক (শেরপুর-৩), জুয়েল আরেং (ময়মনসিংহ-১), মোসলেম উদ্দীন (ময়মনসিংহ -৬), ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০), মানু মজুমদার (নেত্রকোণা-১), আশরাফ আলী খান খসরু (নেত্রকোণা-২), অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোণা-৩), রেবেকা মমিন (নেত্রকোণা-৪), ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল (নেত্রকোণা-৫), ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), মামুনুর রশীদ কিরণ (নোয়াখালী-৩), একরামুল করিম চৌধুরী (নোয়াখালী-৪), মোহাম্মদ সুবেদ আলী ভূঁইয়া (কুমিল্লা-১), সেলিমা আহমেদ (কুমিল্লা-২), রাজী মো. ফখরুল (কুমিল্লা-৪), অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (কুমিল্লা-৬), অধ্যাপক আলী আশরাফ (কুমিল্লা-৭), আ হ ম মুস্তফা কামাল (কুমিল্লা-১০), মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১), মাহফুজুর রহমান মিতা (চট্টগ্রাম-৩), এবিএম ফজলে করিম (চট্টগ্রাম-৬), ড. হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭), মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), আফসারুল আমীন (চট্টগ্রাম-১০), আবু রেজা মোহাম্মদ নদভী (চট্টগ্রাম-১৫), বীর বাহাদুর (বান্দরবান), কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি)।



