
নবম শ্রেণী ছাত্রের টিফিন বক্সেই লুকনো ছিল গ্রেনেড
রূপসী বাংলা কলকাতা ডেস্ক: পুলওয়ামার পর বৃহস্পতিবার ফের বিস্ফোরণ হয়েছে উপত্যকায়। জম্মুর বাসস্ট্যান্ডে বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন ৩২ জন। মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। সেই বিস্ফোরণের তদন্তেই উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য।
জানা গিয়েছে এক নবম শ্রেণীর ছাত্র বাস স্ট্যান্ডে গ্রেনেডটি ছুঁড়ে দেয়। তার টিফিন বক্সের মধ্যে লুকনো ছিল ওই গ্রেনেড। ভাতের মধ্যে গ্রেনেডটি লুকনো ছিল বলে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর, জম্মু পুলিশের কাছে খবর ছিল যে শহরে কিছু একটা ঘটতে পারে। যার জন্য ১৫ বছরের ওই অভিযুক্তকে ঘটনার এক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়। জম্মু থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে নাগরোটা চেকপয়েন্টের কাছে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই ছাত্র কুলগামের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। গ্রেনেড হামলার পর বাড়ি ফেরার পথে ধরা পড়ে যায় সে।
জানা গিয়েছে ইউটিউবে দেখেই গ্রেনেড ছোঁড়ার কায়দা রপ্ত করেছিল অভিযুক্ত ওই কিশোর। ঘটনার দিনই দু;জনের মৃত্যু হয়। একজন উত্তরাখণ্ডের ও একজন কাশ্মীরের অনন্তনাগের বাসিন্দা। তৃতীয় ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে শুক্রবার সকালে হাসপাতালে।
জম্মুর বাস স্ট্যান্ডে গত দশ মাসে তিন বার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে৷ ২০১৮ সালের মে মাসে প্রথমবার জম্মু কাশ্মীরের বাস স্ট্যান্ডে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে৷ দ্বিতীয় বিস্ফোরণ ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে ঘটে৷ তার পরে ৭ই মার্চ ফের জম্মুর বাস স্ট্যান্ডে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল৷
পুলিশ আধিকারিকেরা জানিয়েছিলেন, একটি চলন্ত গাড়ি থেকে এই গ্রেনেডটি ছোঁড়া হয়েছিল৷ থানা কে টার্গেট করেই গ্রেনেডটি ছোঁড়া হয় বলে জানা যায়৷ থানা বাস স্ট্যান্ডের প্রবেশ পথের লাগুয়া৷
জানা যাচ্ছে তিন মাস আগেই গুপ্তচর সংস্থা গ্রেনেড হামলার অ্যালার্ট জারি করেছিল৷ সংস্থা জানিয়েছিল জম্মু কাশ্মীরের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এবং পুলিশ ক্যাম্পের বাইরে গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা করছে জঙ্গিরা৷ তবে তাদের কাছে কোন জায়গায় এই বিস্ফোরণ ঘটানো হবে তার স্পষ্ট তথ্য ছিল না বলেই জানা যাচ্ছে৷



