
নানা আলোচনা সমালোচনার শিকার ডা. ফেরদৌস খন্দকার অবশেষে নিউ ইয়র্কে ফিরে গেলেন। করোনা রোগীদের চিকিৎসাসেবায় নিযুক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে বেশ আলোচিত হন ডা. ফেরদৌস।
নিউ ইয়র্কে করোনার প্রকোপ কমে গেলে তিনি দেশের জন্য কাজ করতে উদ্যোগী হন বলে জানিয়েছিলেন। সে লক্ষ্য নিয়েই বাংলাদেশে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন বলে জানান তিনি।
ফেরদৌস জানিয়েছিলেন, তিনি তিন সপ্তাহের সময় নিয়ে দেশে এসেছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল কোভিড-১৯ রোগীদের সেবা দেওয়া এবং বনানীতে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য কাজ শুরু করা।

গেল ৭ জুন বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছলে তাকে ১৪ দিন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। যেখানে বাকি ১২৮ জনকে হোমকোয়ারান্টাইনে পাঠানো হয়।
ডা. ফেরদৌস খন্দকার দেশে আসার আগেই তার নামে নানা ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে। তাকে ‘বঙ্গবন্ধুর খুনির আত্মীয়’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যে জামায়াত-শিবিরের সঙ্গেও সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তোলা হয়। অবশ্য ডা. ফেরদৌস খন্দকার বরাবরই অস্বীকার করে এসেছেন।
দেশে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষে দেশের করোনা রোগীদের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি। তবে অজ্ঞাত কারণে বুধবার রাতেই তিনি একটি বিশেষ বিমানে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি। ⛘



