
নির্বাচনে ভালো সম্ভাবনা, তবু জয়ের ব্যাপারে শঙ্কায় ডেমোক্র্যাটরা
মধ্যবর্তী নির্বাচনে হাউস ও সিনেট পুনর্দখলের আশা, অতীতের পরাজয় ভাবাচ্ছে দলের সমর্থকদের
শাহ্ জে. চৌধুরী :
যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের সামনে আশাব্যঞ্জক রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হলেও সম্ভাব্য জয় নিয়ে পুরোপুরি আত্মবিশ্বাসী হতে পারছেন না দলের সমর্থকরা। অতীতের নির্বাচনে জনমত জরিপের পূর্বাভাস ব্যর্থ হওয়ার অভিজ্ঞতা তাঁদের মধ্যে তৈরি করেছে সংশয় ও উদ্বেগ।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন জনমত জরিপে ডেমোক্র্যাটদের প্রতিনিধি পরিষদে (হাউস) সংখ্যাগরিষ্ঠতা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এমনকি সিনেটেও দলটির প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে ২০১৬ সালে হিলারি ক্লিনটন এবং ২০২৪ সালে কমলা হ্যারিসের পরাজয়ের স্মৃতি এখনো দলটির অনেক সমর্থকের মনে রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনসমর্থন কমে যাওয়া, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্য এবং অর্থনৈতিক চাপ রিপাবলিকানদের জন্য নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এর ফলে দক্ষিণ ক্যারোলাইনা, টেক্সাস ও কানসাসের মতো ঐতিহ্যগতভাবে রিপাবলিকান-প্রভাবিত অঙ্গরাজ্যেও ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পাচ্ছেন।
পেনসিলভানিয়ায় রিপাবলিকান প্রার্থী স্কট পেরির বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ডেমোক্র্যাট জ্যানেল স্টেলসন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হওয়ার পর এবার জয়ের প্রত্যাশা থাকলেও অতীতের অভিজ্ঞতার কারণে সতর্ক তিনি।
একই চিত্র টেক্সাসেও। সেখানে সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস তালারিকোর প্রচারণায় সমর্থকদের মধ্যে আশার পাশাপাশি উদ্বেগও দেখা যাচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, অভিবাসন অভিযান, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসনের বিভিন্ন নীতি ভোটারদের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অনেক ভোটারের কাছে এবারের নির্বাচন শুধু প্রার্থী বাছাই নয়, দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গতিপথ নির্ধারণেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
মঙ্গলবারের এই নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়ই নির্ধারণ করবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে।



