
নির্বাসিত পাক অধিনায়ক
রূপসী বাংলা স্পোর্টস ডেস্ক : বিপক্ষ ক্রিকেটারকে বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্যের জের। পাক দলনায়ক সরফরাজ আহমেদকে চার ম্যাচের জন্য নির্বাসিত করল ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা আইসিসি। অ্যান্টি রেসিসিম কোড লঙ্ঘন করায় ৭.৩ ধারায় রবিবার পাক দলনায়ককে দোষী সাব্যস্ত করে ক্রিকেটের গভর্নিং বডি।
চার ম্যাচ নির্বাসনের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ দুটি ওয়ান ডে ম্যাচে মাঠে নামতে পারবেন না সরফরাজ। যার প্রথমটি রবিবার অনুষ্ঠিত হবে জোহানেসবার্গে। পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচেও তাঁকে পাবে না দল। পরিবর্তে ওয়ান ডে সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচের জন্য নেতৃত্বের ব্যাটন সামলাবেন অভিজ্ঞ শোয়েব মালিক।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ডারবানে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ান ডে চলাকালীন বিপক্ষ অলরাউন্ডার অ্যান্ডাইল ফেহলুকুয়াওকে টিপ্পনী স্বরূপ বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করে বসেন সরফরাজ। এমনকি পাক দলনায়কের মন্তব্যে রেহাই পাননি তাঁর মা’ও। স্টাম্প মাইকে ধরা পড়ে পাক অধিনায়কের সেই বিতর্কিত মন্তব্য। এরপর শুরু হয় নিন্দার ঝড়। পাক দলনায়কের সমালোচনায় মুখর হয় দক্ষিণ আফ্রিকার দেশীয় সংবাদমাধ্যম।
ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা এবং ম্যাচ অফিসিয়ালদেরও নজর এড়ায়নি ঘটনাটি। বিষয়টি এরপর চলে যায় আইসি’র এক্তিয়ারে। ক্রিকেটীয় মহলে নিন্দার ঝড় শুরু হতেই ক্ষমা বিষয়টি সম্পর্কে ক্ষমা চেয়ে নেন পাক অধিনায়ক। নিন্দনীয় সেই ঘটনার দোষ স্বীকার করে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষমা চেয়ে পাক দলনেতা জানান, কাউকে আঘাত করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। কিন্তু সমস্ত ঘটনায় আইসিসি’র অ্যান্টি রেসিসিম কোড লঙ্ঘিত হওয়ায় শাস্তি একপ্রকার প্রত্যাশিতই ছিল সরফরাজের জন্য।
এক বিবৃতিতে আইসিসি’র চিফ এক্সিকিউটিভ জানান, ‘এমন নিন্দনীয় ঘটনায় আইসিসি কোনওরকম প্রশ্রয় বরদাস্ত করে না। এক্ষেত্রে সরফরাজ নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে এবং দোষ স্বীকার করে নিয়েছে। শাস্তিপ্রদানের সময় বিষয়গুলি মাথায় রাখা হয়েছে।’
বিতর্কিত মন্তব্য ইস্যুতে পাক দলনায়ক সোশ্যাল মিডিয়ায় দোষ স্বীকার করে লেখেন, ‘অতীতেও প্রতিপক্ষ ক্রিকেটারদের প্রতি আমার পূর্ণ সম্মান ছিল। ভবিষ্যতেও মাঠ এবং মাঠের বাইরে বিপক্ষ ক্রিকেটারদের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা থাকবে।’



