
আসাদুজ্জামান খান মুকুল
বর্ষার দুপুর। ভেজা চাদরের পানি নিংড়াতে দাদি ডাকছেন।
আমি তখন ফোনে কী জানি একটা দেখছি, ফোনটা রেখে উঠে গেলাম।
দুজনে দুই মাথা ধরে ঘুরিয়ে যাচ্ছি।
উঠোনে একটু কাদা, আমার একটা স্যান্ডেল খুলে পড়ে রইল।
কাপড়টা পাকিয়ে পাকিয়ে দড়ির মতো শক্ত হয়ে এল।
আমি যতটা জোর দিই ওপাশ থেকে ঠিক ততটাই জোর এসে লাগে কব্জিতে।
দাদির হাতের শিরাগুলো ফুলে উঠেছে।
আঙুলের ডগা লাল হয়ে আসে।
পাশের টিউবওয়েলটি তখনও চলছিল।
একবার আমার হাতটা একটু ফসকে যেতেই দাদি টলে পিছিয়ে গেলেন,
খুঁটিতে গিয়ে কনুইয়ে চোট লাগল।
“আহ্,” বলে তারপর হাসলেন।
জল ঝরছে এখনও ফোঁটায় ফোঁটায়।
দুজনের তালুতেই তখনো লেগে আছে সেই টানের চিহ্ন।



