
বিজেপি বিরোধী জোটে থাকতে পারেন রাজ ঠাকরে
রূপসী বাংলা কলকাতা ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে সিট ভাগাভাগি চূড়ান্ত হয়েছে কংগ্রেস ও এনসিপি-র মধ্যে। তবে জটিলতা বাড়ছে নবনির্মান সেনাকে নিয়ে বিজেপিকে পরাস্ত করতে কি সঙ্গে নেওয়া হবে, রাজ ঠালরের দলকে, সেটা নিয়েই বাড়ছে জল্পনা।
এই বিষয়ে কংগ্রেস এবং শরদ পাওয়ারের এনসিপির মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনাকে নিয়ে আপত্তি আছে কংগ্রেসের। এরই মধ্যে বুধবার এনসিপি প্রধানের ভাইপো অজিত পাওয়ার এমএনএসের নেতাদের সঙ্গে ঘণ্টাখানেক বৈঠক করেন।
মহারাষ্ট্রে লোকসভায আসন মোট ৪৮টি। উত্তরপ্রদেশের পর মহারাষ্ট্র থেকেই সবচেয়ে বেশি সাংসদ নির্বাচিত হন। এর মধ্যে দুটি আসনে লড়তে চাইছে রাজ ঠাকরের দল এমএনএস। এমনিতেই দীর্ঘ দিন ধরে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব রাজ। বিজেপি বিরোধিতার পাশাপাশি দাদা উদ্ধব ঠাকরেকেও এনডিএ থেকে বেরিয়ে আসতে বলছেন তিনি। কিন্তু এমএনএসের ভাবমূর্তি নিয়ে আপত্তি রয়েছে কংগ্রেসের।
কিন্তু অজিত পাওয়ারের দাবি এমএনএসকে জোটের বাইরে রাখলে বিজেপি বিরোধী ভোট ভাগাভাগি হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা আছে। সংবাদ সংস্থা অজিত বলেছেন, বিজেপিকে পরাস্ত করতে হলে ধর্মনিরপেক্ষ এবং জনমানসে গ্রহণ যোগ্যতা আছে এমন সমস্ত দলকে একজোট হতে হবে। গত লোকসভা নির্বাচনে কয়েকটি কেন্দ্রে লক্ষাধিক পর্যন্ত ভোট পেয়েছিল রাজের দল।
বিজেপি বিরোধী জোট যাতে বাস্তবায়িত হয় তার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই সরব এনসিপি প্রধান। গত এক বছরে একাধিকবার বিভিন্ন বিজেপি বিরোধী নেতার সঙ্গে এনসিপি প্রধান বৈঠক করেছেন। সূত্রের খবর তিনিও চান এমএনএস এই বিজেপি বিরোধী জোটে যোগ দিক। গত বছর রাজের সঙ্গে একই বিমানে সফর করেন পাওয়ার। সেখানে এই জোট নিয়ে কথা হয়েছিল বলে খবর। গত মাসে এই জল্পনা আরও বাড়ে। এমনকি ছেলের বিয়েতে সোনিয়া গান্ধী থেকে শুরু করে রাহুল গান্ধী, লালকৃষ্ণ আদবাণী সকলকে নিমন্ত্রণ করা হয়েছিল। মোদীর মন্ত্রিসভার সদস্যদের উপস্থিত থাকার অনুরোধ করেন রাজ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীকে বাদ দেন তিনি।



