
যুক্তরাষ্ট্রে হত্যা, ধর্ষণ ও নারী অবমাননার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
বাংলাদেশ জুড়ে হত্যা, ধর্ষণ ও নারী অবমাননার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে ।
গতকাল ৭ অক্টোবর নিউ ইর্য়কের জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার সিটি প্লাজায় দেশব্যাপী চলমান ধর্ষণের প্রতিবাদ জানিয়ে সংহতি সমাবেশ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ ।
বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলা চ্যানেলের প্রেসিডেন্ট ও রূপসী বাংলা পত্রিকার সম্পাদক শাহ্ জে. চৌধুরী, চিত্র শিল্পী তারিক হাসান, লেখক সেলিনা আকতার তুহিন, এটিএন বাংলার বার্তা সম্পাদক কানু দত্ত,নাট্যকর্মী তোফাজ্জল লিটন, হিন্দু ইউনিটির নিতাই বাগচী, সনজীব কুমার ঘোষ, রাজনীতিক মীর মশিউর রহমান, হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃীষ্টান ঐক্য পরিষদের গোবিন্দ জি. বানিয়া, হোসনে আরা চৌধুরী, প্রতীমা সরকার, নুরন্নাহার বেগম, বিপুল কে. সাহা, মুক্তি সরকার,পপি ঘোষ প্রমূখ।
বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন,যুক্তরাষ্ট্র জাসদের সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম জিকু,কবি-ছড়াকার-উপন্যাসিক দর্পন কবীর, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা জাকির হোসেন বাচ্চু, যুক্তরাষ্ট্র হিন্দু ইউনিটির আহ্বায়ক দীনেশ মজুমদার, ঢাকা গণজাগরণ মঞ্চ-এর জাকির হোসেন রনি, সম্মিলিত সাস্কৃতিক জোটের কর্মী গোপাল স্য্যনাল, প্রজন্ম একাত্তরের আহ্ববায়ক শিবলী সাদিক, যুব ইউনিয়নের সাবেক কর্মী সনজীবন কুমার, সাংস্কৃতিক কর্মী শুভ রায় প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নেতা মুজাহিদ আনসারী।
বক্তারা বলেন, দেশে বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা ও বিচার না হওয়ার একটা সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। বর্তমান সময়ে আমরা লক্ষ্য করছি যে সারাদেশে আশঙ্কাজনক হারে হত্যা ও ধর্ষণের মত ঘটনা বেড়ে গেছে ।, ধর্ষকের কোনও দল নেই। সুস্থ্য সাংস্কৃতিক চর্চাই পারে দেশের মানুষের বিবেককে জাগ্রত করতে। এখন প্রয়োজন মানুষের বিবেককে জাগ্রত করা।
বক্তারা আরও বলেন, ধর্ষণের হার কমানোর জন্য দেশের আইন প্রণেতারা কোন কাজ করছে না। তবে যারা ধর্ষণের মতো জঘন্য কাজ করছে তাদের সংখ্যা সমাজে খুব বেশী না। তাই সমাজের সবাই যদি একসাথে সকল অন্যায়-অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারি তাহলে সমাজ আরো বেশী সুন্দর হবে।❐



