
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও ৩৪ অংগ-সহযোগী সংগঠেন উদ্দেগ্যে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর পালন করেন
রূপসী বাংলা প্রবাস ডেস্ক: প্রতিবছর ৭ নভেম্বরকে ‘বিপ্লব ও সংহতি’ দিবস হিসেবে পালন করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারই ধারাবাহিকতায় একদিন পর শনিবার সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে একটি পার্টি হলে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির ব্যানারে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তারা এ সংকল্পের কথা বলেন।
সভায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শরাফত হোসেন বাবু বলেন, “পঁচাত্তরের ৭ নভেম্বরের চেতনায় আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে গণতন্ত্রের অকুতভয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্যে। এ নিয়ে কালক্ষেপণের অবকাশ থাকতে পারে না।”
সভা পরিচালনাকালে নিউ ইয়র্ক মহানগর বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা বলেন, “৭ নভেম্বরের চেতনায় প্রবাসে বাংলাদেশী জাতীয়বাদী আদর্শে উজ্জীবিতদের পুনরায় দুর্বার আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে আন্তর্জাতিক জনমত সোচ্চার করতে।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও কন্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন বলেন, “পঁচাত্তরের ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে এবং তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ একদলীয় স্বৈরশাসনের কবল থেকে বহুদলীয় শাসনব্যবস্থায় ফিরেছে। এখন সময় এসেছে সেই চেতনায় গণতন্ত্রের ‘মা’- বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকেও মুক্ত করতে সকল ভেদাভেদ দূরে ঠেলে আন্দোলন রচনার।”
আলোচনা সভায় বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতি এবং বিরোধী দলকে ‘নাজেহালে’র মধ্য দিয়ে পুনরায় ‘বাকশাল কায়েমে’র যে চেষ্টা চালানো হচ্ছে তা রুখে দিতে দেশ ও প্রবাসের বিএনপি নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
এতে বক্তব্য দেন শওকত আলী, আলী ইমাম শিকদার, জসীম ভূইয়া, মোশারফ হোসেন সবুজ, রুহুল আমিন নাসির, সাইফুল ইসলাম লিটন এবং আলমগীর হোসেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত এবং কারাবন্দি খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া করা হয়।



