
সারমিন চৌধুরী
বাংলার রুপে বিমুগ্ধ গাঁয়ের মানুষগুলো
নাড়ির অটুট বন্ধনে তারা একাকার।
সবুজের সরলতা তাদের শরীরে মিশ্রিত
শহর ও গ্রামের মাঝে সপ্ত পারাপার।
ধেনু লয়ে মাঠেই ছোটে দস্যি রাখালিয়া
গৃহস্থ বধু ঘোমটা টানে মুচকি হেসে।
খিলখিলিয়ে উঠে দূরন্ত কিশোরী মেয়ে
দিন হারাচ্ছে আলো মেঘদলে ভেসে।
বাতাসে দোলে খেয়াঘাটের নৌকার পাল
রুস্তম মাঝি ধরেছে ভাটিয়ারী গান।
সাঁঝের আসর জমেই উঠোনের কোণে
দৌলত বিবি মুখে গুঁজে মিষ্টি পান।
পূর্ণিমার আলো ছিটকে পড়ে ভাঙা চালে
তৈল মাখা মুখখানি ঝলমলিয়ে উঠে।
পদ্মফুল পাপড়ি মেলে বিশ্রি কালো জলে
গন্ধে মন উচাটন সে কাননে যায় ছুটে।
রথের আসর জমেছে চণ্ডী দিঘির পাড়ে
বছর ঘুরে মিলনমেলা বসে বটতলায়।
কেউ কিনে আলতা নূপুর টিপ কপালের
যাত্রাপালা মেতে উঠে ঢোল তবলায়।



