
মমতা মজুমদার
নিশীথের ঘন আঁধার,
উপচে পরে রোজ মনের বারান্দায়।
ঝুম-ঝুমিয়ে বারি ঝরে আপন হিয়ায়।
এখানে কেউ নেই দেখবে পাশে বসে
পুড়ছে একাকী কে কোন জ্বালায়!
দেখে না কার অন্তর পুড়েছে ঠিক কতটা।
ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে কার বৈরাগী কায়া
দিন যাপনের চলছে শুধু জমজমাট খেলা।
এখানে ভাগ নেয় না কেউ কারো বিরহ-ব্যথা;
বুকের ভিতর জমাট বাঁধে এক নিঃসঙ্গতা।
আউলা বাতাসে মিশে যায় কেবল নীরব কান্না!
ক্ষণিকের জীবনটা এভাবেই শুধু কেটে যায়
রোজকার মতোই শত আঘাত বুকে দিয়ে চাপা।
হাসির পেয়ালায় দুঃখ লুকিয়ে তৃপ্ত করে হায়
কেটেছে প্রহর অপেক্ষার শেষে শত যন্ত্রণায়।
এখানে সুপ্ত আশার মৃত্যু হয় বেলা অবেলায়।
কাঁঠালিচাঁপা ফুলের গন্ধ আর দেয় না মুগ্ধতা!
কেউ নেয় না খোঁজ কার কী হয়েছে মনপাড়ায়
ইট-পাথরের দালান-কোঠায় সবাই অসহায়।



