
হাফিজুর রহমান
ভেবেছিলাম ঝগড়াঝাঁটি হবে, হলো না তো!
বর্ষাও লজ্জিত, অঝোর ধারায় শুরু হলো বৃষ্টি।
মনে হলো যেন ক্ষীণ বজ্রপাতের সম্ভাবনা!
গুমোট গগনে নেই কালো মেঘের ঘনঘটা,
মধুচন্দ্রিমার খোঁজে বুঝি ব্যস্ত বেশি পবন!
ভুলে একদম কালবৈশাখীর উচ্ছৃঙ্খলতা।
আমার পৃথিবীটাকে শান্ত দেখে, যেমন—
নিশ্চিন্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই! তেমনি—
জানি চাঁদ উঠবে না আজ বাদল দিনে,
তবুও পুলকিত প্রাণোচ্ছলতায় জ্যোৎস্না রাত!
হলোই বা মান অভিমানে ঠোকাঠুকি,
তাতে কী? গভীর বড় জল-জ্যোৎস্নার প্রেম।
আবার কখনওবা শান্ত শীতলতায় সিক্ত হতে—
পুঞ্জীভূত ক্ষোভ-নেত্রের একেকটি বৃষ্টিফোঁটা,
বিধ্বংসী বারুদের থেকেও বেশি সক্রিয়।
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে সৃষ্ট উত্তাপ্ত
লাভার ন্যায় নির্গত, হয়ত দাম্পত্য জীবনে
ঘটে সম্পর্কের শক্ত প্রাচীর নির্মাণে।
পোড়ানো হয় হৃদয়, খেলা করে ভালোবাসা
অধর যুগলে, পারস্পারিক অনুশোচনায়।



