
নিউইয়র্কে মিট দ্যা প্রেসে জয়া বললেন- ভাল ছবি দর্শকরা দেখেন
রূপসী বাংলা প্রবাস ডেস্ক: বাংলা চলচ্চিত্রের প্রতিভাবান ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান বলেছেন-ভাল ছবি দর্শকরা দেখেন। বাংলাদেশ, পশ্চিম বাংলা ছাড়াও প্রবাসে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাংলা ছবির দর্শক আছে। তারা ভাল ছবি সিনেমাহলে গিয়ে দেখেন। দেবী ছবি এমর প্রমাণ। তিনি বলেন-যুক্তরাষ্ট্রে দেবী’র ৯০টি শো প্রদর্শিত হয়েছে, যা বাংলা ছবির জন্য একটি মাইলফলক। এতে আমি ভীষণ আনন্দিত-উচ্ছ্বসিত। গত ১৪ ডিসেম্বর রাতে নিউইয়র্কে মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে জয়া এ সব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন বায়োস্কোপ ফিল্মস-এর কর্ণধার হামিদ রাজ। এস্টোরিয়ার একটি পার্টি হলে জয়া আহসান মুখোমুখি হয়েছিলেন স্থানীয় সাংবাদিকদের। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাংবাদিক হাসানুজ্জামান সাকি। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এবং কন্সাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুন্নেসা।

মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জয়া আহসান বলেন-সরকারি অনুদান নিয়ে কম বাজেটে ভাল ছবি বানানো যায়। দেবী এর উদাহরণ। ভাল ছবি বানাতে বেশি অর্থের কথাটা বলে কেউ কেউ উন্নাসিকতায় ভোগেন। ভাল ছবি বানাতে আগ্রহ ও আন্তরিক হতে হবে। তিনি আরো বলেন-ভাল ছবি বানাতে হলে আপাতত সরকার ছাড়া আর কোন প্রজোযক নেই। ছবি নিয়ে সরকার মাথা ঘামায় না। হস্তক্ষেপ করে না।
বাংলা চলচ্চিত্রের অধপতন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন-শিল্পমান আছে, এমন ছবি দেশে হচ্ছে। ঐসব ছবি মানুষ দেখছেও। গেরিলা, চোরাবালিসহ আরো অনেক ছবি দর্শক-প্রিয়তা পেয়েছে। তবে আরো ভাল ছবি বানাতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। পশ্চিম বাংলা এবং বাংলাদেশে জনপ্রিয়তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন-এটা খুব আনন্দের। দু’দেশের দর্শকরা আমাকে পছন্দ করেন। জনপ্রিয়তাকে আমি উপভোগ করি-ভাল লাগে। তিনি বাংলাদেশকে ‘স্যাকুলার কান্ট্রি’ উল্লেখ করে বলেন-১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের পর থেকে আমরা অনেক স্ট্রাগল করেছি। ৫২, ৬৯, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জনজীবনে অনেক পরিবর্তন এনেছে। আমাদের মানসিকতারও পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন-পশ্চিম বাংলার ছবির গল্পের চেয়ে বাংলাদেশের ছবির গল্পগুলো মৌলিক হয়। ছবির ক্ষেত্রে দু’দেশের দু’রকম জায়গা। তিনি আরো বলেন-বাংলাদেশ আমার জন্মভুমি আর পশ্চিম বাংলা আমার কর্মভূমি। পশ্চিম বাংলা’য় অন্য দেশের শিল্পী হিসাবে কখনও অবহেলা বা নিগ্রহের শিকার হননি বলেও জানান। তিনি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন-অভিনয় ছাড়া আমি আর কিছু জানি না, কিছু করতে পারি না।দেশকণ্ঠ রিপোর্ট



