
‘সৌদি আরবে নারীদের সঙ্গে দাসীর মতো আচরণ করা হয়’
সৌদি আরবে নারীদের সঙ্গে দাসীর মতো আচরণ করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন পালিয়ে আসা সৌদি কিশোরী রাহাফ মোহাম্মদ। বুধবার তার ‘নতুন দেশ’ কানাডায় স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। আজ বুধবার রাহাফ বলেন, স্বাধীন জীবনের জন্য অনেক ঝুঁকি নিয়ে সৌদি আরব থেকে পালিয়েছেন তিনি। তবে এখনও পালাতে না পারা অনেক নারী ধুঁকে ধুঁকে জীবন কাটাচ্ছেন সৌদিতে। থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফেরত পাঠালে আত্মহত্যা করবেন বলেও ঠিক করেছিলেন তিনি।
রাহাফ বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে দাসীর মতো আচরণ করা হত। আমরা যেন তাদের সম্পত্তি। আমি মানুষকে আমার গল্প বলতে চাই। জানাতে চাই সৌদিতে নারীদের সঙ্গে কী করা হচ্ছে।’
সৌদি আরবের অভিভাবকত্ব আইন অনুযায়ী বাড়ির বাইরে যাওয়া থেকে শুরু করে সব কাজের জন্য পুরুষ অভিভাবকদের অনুমতি নিতে হয় মেয়েদের। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ থেকে সৌদি থেকে পালিয়ে আসার ঘটনা ঘটছে। ৮ মাস আগে সালওয়া নামে আরেক সৌদি তরুণী পালিয়ে এসে কানাডায় আশ্রয় নেন।
ভাইয়ের হাতে শারিরীক নির্যাতনের শিকার হন বলেও জানান রাহাফ। তিনি বলেন, ‘ছোট করে চুল কাটার কারণে আমাকে ছয় মাস একটি কক্ষে বন্দী করে রাখা হয়। বলা হয়, পুরুষের মতো চুলকাটা ইসলামে জায়েজ নেই।’ রাহাফ জানিয়েছেন, ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছেন তিনি। সৌদি আরবে ধর্মত্যাগের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
বিবিসি



