
প্রধান খবরবাংলাদেশবিনোদন
শেষ হলো ১২তম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৯
আনিসুজ্জামান মুহাম্মদ: ‘ফ্রেমে ফ্রেমে আগামী স্বপ্ন’ স্লোগান নিয়ে শুরু হয়েছিল ১২তম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৯। মাত্র একটা সপ্তাহের জন্যে। দেখতে দেখতে ফুরিয়েও গেল। আজ ছিল উৎসবের শেষ দিন। এই সাতটা দিন কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি প্রাঙ্গণ, জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তন, আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ, গ্যেটে ইনস্টিটিউট, বৃটিশ কাউন্সিল আর শিল্পকলা একাডেমির প্রদর্শনীর জায়গাগুলো হয়ে উঠেছিল শিশু কিশোরদের মেলা। প্রায় সারাক্ষণই তাদের কলকাকলিতে মুখর হয়ে ছিল ভেন্যুগুলো। অবশেষে আপাতত ফুরলো সে পাট। উৎসবের পর্দা কাল নেমে গেল।
উৎসবের শেষ দিনে ব্রাজিলের ‘টাফ কিডস’, ভারতের ‘বানারাসি জাসুস’ ও ইরানের ২টি চলচ্চিত্র ‘কাদাম খায়ের’ আর ‘মাদার’সহ মোট ৪টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।

সকাল সাড়ে ১১টায় টায় উৎসব অংশগ্রহণকারী চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সার্টিফিকেট প্রদান করেন ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। বিকেল ৫টায় বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয় এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। এবারের ১২তম আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে মার্টা ক্রুনিকের ‘জো।’ শ্রেষ্ঠ আন্তর্জাতিক পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন মারইয়াম ‘এন্ডলেস’ চলচ্চিত্রের পরিচালক জাহরিমিমেহর।
শ্রেষ্ঠ আন্তর্জাতিক ফিচার চলচ্চিত্র তেসুয়া তোমিনা-এর ব্লু ওয়াইন্ড ব্লোজ। শ্রেষ্ঠ আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ভিক্টর নোরস-এর ‘স্পেস মন্টেন।’ ইয়াং ট্যালেন্ট পুরস্কার পেয়েছেন ‘সাম এনশেন্ট ট্রিজ’ চলচ্চিত্রের পরিচালক হাসনাত সোহান। সামাজিক চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন ‘বুমেরাং’ চলচ্চিত্রের পরিচালক ওয়াহিদ রাজ। অনুর্ধ্ব ১৮ বিভাগে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে আফ্রিদা মেহজাবিনের ‘এলাইভনেস।’ অনুর্ধ্ব ১৮ বিভাগে ২য় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র প্রকৃতি প্রযুক্তি তুষ্টির ‘আই অ্যাম হিজরা গিভ মি সাম মানি।’ অনুর্ধ্ব ১৮-এর ৩য় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র প্রদিপ্ত সাহা এবং সাফি আহমেদের ‘সুপ্রভাত।’
এছাড়া অনুর্ধ্ব ১৮-এর বিশেষ চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে বায়জিদ আল মাহমুদ ফোরআর্ম’ এবং ইশমুম ‘নাওয়ারের মেটানইয়া।’



