
১১ নভেম্বর রাজ্যজুড়ে কর্মসূচী পালন করবে তৃণমূল
রূপসী বাংলা কলকাতা ডেস্ক: ভোটের ময়দানে এবার একেবারে সম্মুখ সমরে ঘাসফুল বনাম পদ্মফুল। সামনে ২০২০-এর পুরভোট আর তারপর ২০২১-এর বড় লড়াই। সেই কারণে এখন থেকেই নিজেদেরকে প্রস্তুত করে রাখছে দুই পক্ষই। আর তার জন্য কর্মসূচী ঘোষণা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
আগামী ১১ নভেম্বর জেলা জুড়ে কর্মসূচী পালন করতে চলেছে তৃণমূল। আজ সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মের ভিত্তিতে কেন এনআরসি সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।
এছাড়া জয়েন্ট পরীক্ষায় আঞ্চলিক ভাষার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র গুজরাটি ভাষা কেন তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর প্রশ্ন, “আমি গুজরাতি ভাষাও পছন্দ করি। তবে, কেন অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষাগুলিকে উপেক্ষা করা হয়েছে? কেন তাদের সাথে অন্যায় করা হচ্ছে?” বুধবার মুখ্যমন্ত্রী টুইটারে জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই এই পরীক্ষা ইংরাজি ও হিন্দিতে হত।কেন এভাবেই একটি ভাষাকেই গুরুত্ব দেওয়া হবে। ছাত্র-ছাত্রীরা এই দুই ভাষাতেই পরীক্ষা দিত। তবে আঞ্চলিক ভাষা হিসেবে কেন শুধুমাত্র গুজরাতি কে রাখা হবে তা নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাম, কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলি
শুধুমাত্র যে মূল তৃণমূল পথে নামছে তা নয়। দলনেত্রীর নির্দেশে এদিন রাস্তায় দেখা যেতে পারে তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনকেও। অন্যদিকে পথে নামছে প্রাক্তন শাসকদলের ছাত্র সংগঠন এসএফআইও। তারা রাস্তায় নামবে আগামী ৮ জানুয়ারি। এসএফআই-এর দাবি অবশ্য আলাদা। তবে সর্বভারতীয় জয়েন্ট পরীক্ষায় বাংলা ভাষাকে বাদ দেওয়ার তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে এসএফআই-এর তরফেও।
কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তরোত্তর ফি বৃদ্ধির ইস্যুকে সামনে রেখেই এসএফআই এই আন্দোলনে নামছে বলে জানা গিয়েছে । সংগঠনের সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, “অমিত শাহ ও নরেন্দ্র মোদী যে ভাষায় কথা বলেন, সে ভাষা ছাড়া অন্য ভাষায় কথা বলা যাবে না। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করা হবে। ”



