
ডনোভান রিচার্ডসকে বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার্স ও আর্কিটেক্টসের সংবর্ধনা
বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার্স এবং আর্কিটেক্টসরা গত ২৩ মে কুইন্সের আগ্রা প্যালেস বলরুমে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী এবং মিট এন্ড গ্রিট অনুষ্ঠানে কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট ডনোভান রিচার্ডসকে শুভেচ্ছা এবং সংবর্ধনা দিয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণে কুইন্স বোরো প্রেসিডেন্টকে ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সাদিক অতিথিদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে কুইন্স বোরো প্রেসিডেন্ট এবং প্রধান অতিথি ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুল হককে মঞ্চে আহ্বান জানান। এরপর কুইন্স বোরো ডেপুটি প্রেসিডেন্ট রন্ডা বিন্দা ডনোভান রিচার্ডসকে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখার জন্য ডায়াসে আমন্ত্রণ জানান।
ডনোভান রিচার্ডস কুইন্স বরোতে বসবাসরত অভিবাসীদের কর্মদক্ষতার বিপুল প্রশংসা করে তার বর্তমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। কিভাবে আরো বেশিসংখ্যক অভিবাসী বোরোর বিভিন্ন এজেন্সিতে সম্পৃক্ত হতে পারে এবং উন্নয়ন কর্মকান্ডে তাদের মেধা ও শ্রম বিনিয়োগের সুযোগ লাভ করতে পারে- সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন।
কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার্স এবং অ্যাক্টিটেক্টসদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, তাদের পেশাগত যোগ্যতা এবং মেধা কুইন্স বরো তথা নিউইয়র্ক শহরের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নিউ ইয়র্ক সিটির আসন্ন নির্বাচন, বিভিন্ন কার্যক্রম এবং সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন জন আলবার্ট, ইএসকিউ।
প্রধান অতিথির ভাষণে কুইন্স সোশ্যাল অ্যাডাল্ট ডে কেয়ার সেন্টার ইনকের প্রেসিডেন্ট, সিইও ইঞ্জিনিয়ার ক্যাপ্টেন মাহফুজুল হক কুইন্সের স্যোশাল ডে কেয়ার ফ্যামিলিটিগুলো পরিচালনা এবং উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করে কর্ম উন্নয়নের অবদান রাখার জন্য বোরো প্রেসিডেন্টকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
তিনি কিভাবে তাঁর প্রতিষ্ঠান সমগ্র নিউইয়র্ক স্টেটে এবং বিশেষ করে নিউইয়র্ক শহরের পাঁচটি বোরোতে ১০,০০০ হোম কেয়ার এবং ১০০০ সোশ্যাল ডে কেয়ার সেবা অক্লান্তভাবে দিয়ে যাচ্ছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, তাঁর পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলো সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন, যাতে অভিবাসীরা সুচারুভাবে নিরাপদ এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও সেবাগ্রহণ করতে পারেন। তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠানের কর্মচারিরা কর্মদক্ষতা অর্জন করে কিভাবে ভালো বেতনের সুযোগ লাভ করতে পারেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সাদিক আশা প্রকাশ করেন, বাইডেন সরকারের নতুন ইনফ্রাস্টাকচার বিল বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার্স ও আর্কিটেক্টসদের প্রচুর কর্মদক্ষতা এবং বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এছাড়াও নিউ ইয়র্ক শহরের বিভিন্ন এজেন্সিতে প্রথম সারির ব্যবস্থাপনায় নিজেদের সম্পৃক্ত করার সুযোগ লাভ করবে।
আলোচনায় আরো অংশগ্রহণ করেন পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার আমিনুল ইসলাম, নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার রাজ্জাক চোকদার এবং এমটিএ কর্মরত ইঞ্জিনিয়ার রঞ্জিত রায়।
বক্তারা নিউ ইয়র্ক শহরের বিভিন্ন এজেন্সিতে ব্যবসার সুযোগ, প্রতিবন্ধকতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তাঁরা জানতে চান, কিভাবে বোরো প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ডে আরো বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ লাভে সাহায্য করতে পারেন।



